কক্সবাজারে দুদকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেছেন, ঘুষ দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সে বিশ্বাসী। দুর্নীতি শতভাগ দমন না হলেও যেন কমে আসে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সারাবিশ্বে দুর্নীতি নির্মূল হয়ে যায়নি। দুর্নীতি এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে আমরা যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকি।

রোববার (০২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সমন্বিত জেলা (কক্সবাজার ও বান্দরবান) এর অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধনকালে তিনি এসব বলেন।

কক্সবাজারে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগের ছিল দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে বেশ কয়কটি মামলাও করে দুদক। যেগুলো চলমান রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে তাদের কর্মকান্ড গতিশীল করতে প্রাথমিকভাবে সাতজন কর্মকর্তাকে নিয়ে সমন্বিত এই কার্যালয়ের সূচনা হলো।

উদ্বোধনকালে দুদক কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে বান্দরবান ও কক্সবাজারে কার্যক্রম চলবে। পর্যায়ক্রমে এটিকে কক্সবাজার জেলা কার্যালযে রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আগে চট্টগ্রাম থেকে এসে মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হতো। এ কার্যালয়ের মাধ্যমে সহজে মামলার তদন্ত শেষ করতে পারবে দুদক।

দুদক কার্যালয় উদ্বোধনকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.