ইমাম খাইর:
মঙ্গলবার (৬ জুলাই) এনগেজেমন্ট তৈয়বা বেগমের। সব ঠিকঠাক। সকাল হলেই আসবে বরপক্ষ। কিনবে কাপড়চোপড়। তার আগের রাতেই এসিড মেরে ঝলসে দেয়া হয়েছে তৈয়বার মুখ। দুর্ভাগ্য! এনগেজেমন্ট হলো না। থেমে গেল সব আয়োজন। আপাতত: হাসপাতালের বিছানা হলো ঠিকানা।
সোমবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
আহত তৈয়বা বেগম (২০) রামু উপজেলার গর্জনিয়ার ৬ নং ওয়ার্ডের মাঝিরকাটা এলাকার মোজাফফর আহমদের মেয়ে।
তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতরা পলাতক।
স্থানীয় বাদশা মিয়ার সন্তানেরা নির্মম ঘটনায় জড়িত বলে জানিয়েছেন তৈয়বার পিতা মোজাফফর আহমদ।
তিনি জানান, রাত ৩টার দিকে মায়ের সাথে প্রাকৃতিক কর্ম সারতে বেরিয়েছিল তৈয়বা। এমন সময় এসিড মেরে পালিয়ে যায় চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় জড়িতরা আটক হয়নি।
টাকা ধার সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি তৈয়বার পিতার।
ঘটনার প্রসঙ্গে রামু থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হক জানিয়েছেন, খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে। ভিকটিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.