আতঙ্কের নাম ইজি বাইক
ওয়ান নিউজঃ
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার শহরে চলছে ইজি বাইক আতঙ্ক। নিরীহ দর্শনের এই যানের ‘ভয়ে’ তটস্থ শহরবাসী। গত এক মাসে ইজি বাইকের চাপায় প্রাণ গেছে দুই শিশুর। যখন তখন আহত হচ্ছে পথচারীরা। এ নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শহরে ৩০৫০টি ইজি বাইককে চলাচলে অনুমতি দিয়েছে কক্সবাজার পৌরসভা। সেখানে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের মতো ইজি বাইক চলছে। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড থেকে কলাতলী ডলফিন চত্ত্বর, লাবনী সী-বিচ, সুগন্ধা, হিমছড়ি, হলিডে মোড, বাসস্ট্যান্ড থেকে বিজিবি ক্যাম্প সড়ক হয়ে হাসেমিয়া মাদরাসা, কালুর দোকান, খুরুস্কুল রাস্তার মাথা,বড় বাজার, বাজার ঘাটা, কস্তুরা ঘাট, বিমান বন্দর সড়ক, ফিসারী ঘাট, আইবিপি সড়ক হয়ে স্টেডিয়াম হয়ে , বয়েস স্কুল হয়ে সার্কি ট হাউস হয়ে সী-বিচ রোডে ইজি বাইকের চলাচল বেশি। ফলে এসব এলাকায় দুর্ঘটনাও ঘটছে বেশি। অথচ এলাকাগুলোতে স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আদালত, বিপণিবিতানসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অফিস আছে।
অধিকাংশ ইজি বাইকচালকের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই বলে জানা গেছে। নেই কোনো প্রশিক্ষণ। আশঙ্কার কথা হলো, ইজি বাইকচালকদের জন্য এখনো ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবস্থা চালু হয়নি। ফলে যে কেউ ইজি বাইক নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ছে। যাত্রী ওঠাতে-নামাতে যেখানে সেখানে ইজি বাইক থামাচ্ছে। কে কত যাত্রী ওঠাবে—এ নিয়ে করছে প্রতিযোগিতা। চারজনের জায়গায় তুলছে ছয় থেকে আটজনকে।
এ ছাড়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ইজি বাইকের ধাক্কায় আহত হয়েছেন কয়েকজন পথচারী ও কক্সবাজার ইন্টান্যাশনাল স্কুলে ছাত্রী।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.