ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে পাশ করলে-জেলাকে শান্তি ও উন্নয়নের মডেল গড়ে করতে চান…কনক কান্তি দাস

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

আগামী ২৮ শে ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় পুজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি এবং গ্রামের কাগজ পাঠক ফোরামের সভাপতি কনক কান্তি দাস আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে গন-সংযোগ ও প্রচার প্রচারনা- চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইতি পুর্বে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। সে সময়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় গড়ে তুলেছেন। ঝিনাইদহ জেলায় ৬টি পৌরসভা ও ৬৭ টি ইউনিয়নের ৯৬৪ জন জনপ্রতিনিধি ভোটাররা ১৫টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার ২৮ ডিসেম্বর প্রয়োগ করবেন।

 

বিশিষ্ট সমাজ সেবক কনক কান্তি দাস ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি জাতী-ধর্ম-বর্ণ, দল-মত, ধনী-গরীব, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা নির্বিশেষে মানবসেবায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলের পাশে থেকে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে চলছেন। তিনি এর আগে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না হয়েও মনুষ্যত্ব ও বিবেকের তাড়নায় ক্ষুদ্র সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। কনক কান্তি দাসের কাছে গরীব-দুঃখী মেহনতী মানুষ বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে দেখা করলে কাওকে খালি হাতে ফেরাননি। প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের কাছে হৃদয়ের মনি হয়ে রয়েছেন।

 

কনক কান্তি দাস বলেন, ঝিনাইদহ জেলার গৌরব পুনরুদ্বার ও অবহেলিত জনপদকে স্ব-মহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে হলে দরকার সৎ যোগ্য ও নিঃস্বার্থ নির্বাচন। তাই তিনি জেলাবাসীকে সেবা করার জন্য চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এ জেলাকে মডেল জেলা হিসাবে রুপান্তরিত করার জন্য ভোটারদের ভোট, সমর্থন, দোয়া ও ভালবাসা চেয়েছেন। তিনি চশমা প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পৌরসভা ও ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ভোটারদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাচ্ছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরা মাঠে ময়দানে কনক কান্তি দাসের পক্ষে গণ-সংযোগ, মিছিল ও প্রচার-প্রচানা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এ দিকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী কনক কান্তি দাসের পক্ষে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুল হাই, সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম অপু, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আজিজুর রহমানসহ বিভিন্ন মেয়র, কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা প্রচার-প্রচারনা, মিছিল সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এ ছাড়াও যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল সভা ও সমাবেশ করছে। ঝিনাইদহ জেলায় ৬টি পৌরসভা ও ৬৭ টি ইউনিয়নের ৯৬৪ জন জনপ্রতিনিধি ভোটাররা ১৫টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

 

Comments are closed.