নতুনবাজারে বঙ্গবন্ধু পাঠাগারটি পূর্ণ স্থাপনের দাবি এলাকাবাসির

মোঃ নেজাম উদ্দিন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

গর্জনিয়া ইউনিয়ন ক্ক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার একটি প্রাচীন একটি জনপদের নাম যেখানে রয়েছে বিট্রিশ এর অনেক নিদর্শন।

সম্রাট শাহ সোজা রোড় এরই একটি উদাহারণ, এই শাহ সোজা রোড় টি গর্জনিয়া ইউনিয়ন কে বেধ করে চলে গেছে মায়ানমার হতে বর্তমান বাংলাদেশের চট্রগ্রাম শহরে, এই আরকান রোড়টি সব জায়গায় প্রধান্য পেলেও আমাদের এই গর্জনিয়া ইউনিয়নে নেই কোন কদর শতশত বছরের এই সড়কটি পড়ে আছে অবহেলায় যেন বাবা মা হারা এতিম সন্তান, এলাকা বাসি মনে করেন যদি এই আরাকান সড়কটি মেরামত করা হয় তা হলে শত শত গ্রামের মানুষের ভাগ্যের দরজা খুলে যাবে। আরো মনে করেন যারা ব্যাবসায়ী তারা তাদের ব্যাবসার লাভবান হবে বেশি কারন তাদের শহরে বিভিন্ন পন্য শহরে নিতে বেশি খরচ পড়বেনা তাতে শহরে যারা আছেন তাদের পন্য ক্রয়ে সুবিধা ও ও সহজ হবে, এমনই শাহ সোজা রোড়টি মাঝঘেষে যাওয়া একটি গ্রামের নাম জুমছড়ি, কয়েকহাজার লোকের বসবাস, ঘন বসতি, শিক্ষার মান বলতে গেলে হাতে গুনা কয়েকটি ঘরে পড়ালেখা করছে এমন কিছু পরিবার চোখে পড়ে বাকিরা তাদের মত করে চলতে পছন্দ করে, এই গর্জনিয়া গ্রামে সেই স্বাধীনতার আগে হতে একটি বাজার সৃষ্টি করেছিলেন আমার মরহুম দাদাজান সাচি সিকদার যার নাম করন করা হয়েছিল নতুন বাজার নামে, তৎকালিন আমলে বাজারটি অনেক নামড়াক ছিল এবং তৎকালিন চট্রগ্রাম মহকুমার সবাই একনামে ছিনতো, আমার দাদাজান মরহুম সাচি সিকদার ইন্তেকালের পর তাহার পুত্র সাবেক সিভিল ইন্জিনিয়ার মরহুম নরুল হাকিম এলাকার কথা চিন্তা করে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া এলাকাকে এগিয়ে নিতে স্বাধীনতার পরবর্তী একটি শিক্ষা মুলক উদ্যেগ গ্রহন করে, বাজারে আরো বিশ শতক জমি সরকারি রেজিষ্টার করে গত ০৬/0৯/১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে একটি পাঠাগার স্হাপন করেন যার মুখ্য উদ্যেশ্য ছিলি এলাকার যুব সমাজকে বইমুখী করা বইপড়ার যেন আগ্রহ কমে না যায়, সেই ১৯৭৪ সালে গঠন হওয়া প্রথম কমিঠি হয় সাবেক সিভিল ইন্জিনিয়ার মরহুম নুরুল হাকিম প্রতিষ্টাতা হিসাবে এবং আমার শ্রদ্ধেয় মেঝমামা মরহুম আলহাজ্ব মোস্তাক আহমদ সভাপতি হয়ে কমিঠি হয়, যিনি গর্জনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর প্রতিষ্টাতা সাঃ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন এবং তৎকালিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন এবং বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এর পিতা সাবেক পার্লামেন্টারিয়ান ও সাবেক রাষ্ট্রদূত জনাব ওসমান সরওয়ার আলম চৌং সহচর ছিলেন। এইভাবে পথচলা বঙ্গবন্ধু পাঠাগারের পথচলা এবং ঘর করে অনেক বই সম্মিলন ঘঠিয়ে শুরু হয় পাঠাগারটি আমার মা বলেছেন আমার পড়ার অনেক নতুন বই ছিল বাড়িতে তাও নাকি আমার বাবা বঙ্গবন্ধু পাঠাগারে নিয়ে গিয়েছিলেন যেন সবাই পড়ার সুযোগ পায়, এইভাবে এলাকার যুব সমাজ সুন্দর একটি পরিবেশ পায় বই পড়তে, এইভাবে পার হয় বছর এসে পড়ে বাঙ্গালী জাতির সেই কালো দি পনের আগষ্ট যেদিন বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, দেশ হতবিহল হয়ে পড়ে শুরু হয় অরাজকতা চারিদিকে শুধু ধ্বংস লীলাখেলায় মেতে উঠে তৎকালিন মানুষরুপী শয়তানরা, এই সুযোগ বুঝে নতুন বাজারের বঙ্গবন্ধু পাঠাগারে আগুন দেওয়া হয় জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পাঠাগারটি, হতাশ হয়ে পড়েন এলাকাবাসি, কারন দেশের চরম অবস্হায় এই পাঠাগারটি নতুন ভাবে করা দুরের কথা কেউ এমন করছে জানতে পারলেও জানে মেরে পেলতো এমনই ভাবে চলছিল দিন, আমার বাবা চাকরির সুবাধে চলে আসেন শহরে । বর্তমান সরকার আন্তরিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এলাকাবাসি মনে করেন যদি এইপাঠাগারটি পূর্ন স্হাপন করা হয় শিক্ষা ক্ষাত অনেক এগিয়ে যাবে এবং যুব সমাজকে বইমুখী করতে পারলে মাদকও অসামাজিক কাজ হতে বিরত রাখা যাবে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় সাংসদ এর কাছে এলাকাবাসি ও প্রতিষ্টাতার পুত্রগন আবেদন করছেন যেন পাঠাগারটি পূর্ন স্হাপিত করা হয়,

Comments are closed.