কর্নফূলীতে আনন্দ শোভাযাত্রা
জে জাহেদ চট্টগ্রাম ব্যুরোচিফঃ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার” এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে “বিশ্বপ্রমাণ্য ঐতিহ্যের” স্বীকৃতি লাভ করায় কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক “আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়।
অদ্য ২৫ই নভেম্বর রোজ শনিবার সকাল ১০টায় ঘটিকায় ফকিরনীরহাট রাস্তার মাথার মোড় থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শিকলবাহা এ,জে চৌধুরী কলেজ মাঠে সমাপ্ত হয়।
এই আনন্দ শোভাযাত্রায় কর্ণফুলী উপজেলার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী,জনপ্রতিনিধি,বীর মুক্তিযোদ্ধা,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,সর্বস্তরের জনগণ ও স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর এ,জে চৌধুরী কলেজ হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুক চৌধুরী।
প্রধান অতিথি বলেন-“৭ই মার্চের ভাষণ শুধু ভাষণই ছিলনা,এই ভাষণ বাঙ্গালী জাতির জন্য স্বাধীনতা অর্জনের মূলমন্ত্র ছিল।
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো “বিশ্বপ্রমাণ্য ঐতিহ্যের” স্বীকৃতি করায় নবগঠিত কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জননেত্রী শেখ হাছিনা কে অভিনন্দন জানান”।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মহোদয় বলেন-“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মত সকল কে দেশপ্রেমিক হতে হবে।দেশ আমাদের কি দিয়েছে তা হিসাব না করে দেশের জন্য আমরা কি করতে পেরেছি তা চিন্তা করে দেশপ্রেম কে বুকে ধারণ করতে হবে।
আদর্শ দেশপ্রেমী হওয়ার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নতুন প্রজন্মকে বেশি বেশি অধ্যায়ন ও তা জীবনে বাস্তবায়ন করার জন্য আহ্বান করেন।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান,কর্ণফুলী থানা অফিসার ইনচার্জ,কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক,পাঁচ ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি,কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ,মুক্তিযুদ্ধাবৃন্দ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ প্রমুখ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.