যশোরে সিভিল সার্জন ইউএনও’র স্ত্রী-ভাইজিও করোনায় আক্রান্ত

ইয়ানূর রহমান : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জেনোম সেন্টারে শনিবার পরীক্ষার পর রোববার যে ১৫টি নমুনাকে পজেটিভ বলে শনাক্ত করা হয়, তার মধ্যে একটি ছিল ফলোআপ। নতুন ১৪টি পজেটিভ নমুনার মধ্যে জেলার সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীনেরটিও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত হওয়া এই ১৪ জনের মধ্যে যশোর শহরসহ সদর উপজেলার নয়জন, অভয়নগরের তিন, মণিরামপুরের দুই এবং শার্শার একজন রয়েছেন।

সিভিল সার্জন ছাড়াও যারা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামানের স্ত্রী সৈয়দা তৌহিদা ইসলাম নিশি (২৬), ইউএনও’র ভাইয়ের ছয় বছর বয়সী মেয়ে পড়শী, ইউএনওর
গৃহপরিচারিকা খুকুমণি (৩৫), পুরাতন কসবা পালবাড়ি এলাকার ৪০ বছর বয়সী এক গৃহিণী, ঝুমঝুমপুরের ১৮ বছর বয়সী এক সোনার কারিগর, যে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে, বেজপাড়া চোপদারপাড়ার ৪০ বছর বয়সী এক গৃহিণী (জেনারেল
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন)।

রয়েছেন সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ, ৪০ বছরের এক গৃহিণী, শহিদুল ইসলাম নামে ৬০ বছরের এক ব্যক্তি।

অভয়নগরে আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্রী ফারজানা মিনতি (২৩), যিনি গত ১৮ মার্চ থেকে বাড়িতে অবস্থান করছেন, ফাহিম নামে ১৬ বছরের এক ছাত্র এবং আছর আলী নামে ৬০ বছর বয়সী এক পুরুষ।

মণিরামপুরে শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শিমুল নামে একজনের বয়স ৩৪ আরেকজন মো. মেজবাউর কাদের, ১৮ বছরের ছাত্র।
শার্শায় আক্রান্ত হয়েছেন পাপ্পু আলী নামে ২০ বছরের এক তরুণ।

যোগাযোগ করা হলে যশোর সদরের ইউএনও মো. কামরুজ্জামান তার স্ত্রী, এক নিকটাত্মীয় শিশু ও গৃহপরিচারিকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। এখন তারা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি জানান, গেল কয়েকদিন ধরে এরাসহ তার আট মাস বয়সী মেয়েও জ্বরে আক্রান্ত। তার নমুনাও আজ দেওয়া হয়েছে।

সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরজাহান ইসলাম নিরা জানান, তিনি শুনেছেন ইউএনওর স্ত্রীসহ পরিবারটির কয়েক সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে কেশবপুরে নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় ইউএনও’র সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি বলে জানান নিরা।

Comments are closed.