কক্সবাজারে করোনাকালে মাদক ব্যবসায় রোহিঙ্গারা

মোঃ নেজাম উদ্দিন,

# মাদক ঠেকাতে আইনশৃংখলা বাহিনী তৎপর
# অধিকাংশ মাদক ব্যবসায়ী রোহিঙ্গা
# করোনাকালে চলছে ইয়াবা পাচার
# এই বছরে বিজিবির হাতে ক্রসফায়ারে নিহত ৯জন
# বিজিবি প্রায় ৩৫ কোটি টাকায় ইয়াবা জব্দ করে
# গত ৬মাসে র‌্যাব ইয়াবা উদ্ধার করেছে ১০,৮৩,৭১৯ পিস
# গত ৬মাসে র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত ১০ জন
গত চার মাস ধরে কক্সবাজারসহ পুরো বাংলাদেশ করোনা আতংকে সাধারণ মানুষকে করোনার হাত থেকে রক্ষা করতে জেলার আইনশৃংখলা বাহিনী ব্যস্থ সময় পার করছে ঠিক সেই মুহুর্তে কিছু মাদক কারবারী সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের মাদক ব্যবসার প্রসার ঘটাতে সারা দেশে বিভিন্ন মাধ্যমে মরণ নেশা ইয়াবা পাচারে ব্যস্থ হয়ে পড়ে।

এরই মাঝে কিছু মাদক কারবারী আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তারা আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে অনেক সময় বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।এদের মধ্যে অধিকাংশ মাদক কারবারী রোহিঙ্গা বলে জানা যায়।

কক্সবাজারের‘মাদক বহনকারী’ থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে বসবাসকারী শরণার্থী রোহিঙ্গারা। কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় ইয়াবাসহ শরণার্থীদের আটকের সংখ্যাও দিন দিন বেড়ে চলেছে। দেশের আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধে অনেকেই প্রান হারাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে রোহিঙ্গা নারী , কিশোর ও পুরুষরা।

গত বছর মে মাসে সরকার ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ ¯েøাগানে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে সীমান্তে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নড়েচড়ে বসে। তখন থেকেই ইয়াবা কারবারিদের উপর প্রথম ধাক্কা লাগে। ইয়াবার আস্তানায় এবং ইয়াবা কারবারিদের ঘরে ঘরে পুলিশের একের পর এক হানায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়ে কারবারিরা। এ ছাড়া সীমান্তে র‌্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে।
এদিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৈরি করা ইয়াবা কারবারিদের তালিকায়ও রয়েছে বেশ কয়েকজন নেতৃস্থানীয় রোহিঙ্গা শরণার্থীর নাম আছে বলে বিশেষ সুত্রে জানা যায়। এদিকে রোহিঙ্গা নেতাদের দাবি, ইয়াবা গডফাদারদের অধিকাংশ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ঘনিষ্ট।
র‌্যাপিড় এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাব Ñ১৫ সূত্র জানিয়েছে,এই বছরের জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে ১০,৮৩,৭১৯ পিস। গ্রেফতার হয়েছে ১৮৭জন আর র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে ১০জন।

মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা বলছেন, মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়ার পর মেথাফেটামাইন ও ক্যাফেইনের মিশ্রণে তৈরি ‘উত্তেজক বড়ি’ ইয়াবার পাচার বেড়ে গেছে। যে কারণে ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল চলমান পর্যন্ত অনেক বেশি ইয়াবার চালান ও পাচারকারী ধরা পড়ছে। বিগত চার বছরে প্রায় ৫ হাজারের বেশি আসামি ধরা পরেছে।
সম্প্রতি গত মাস থেকে এই মাসের শুরু পর্যন্ত বেশ কয়েকজন বিজিবি ,র‌্যাব, ও পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে।
রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার ওয়াব্রাং গ্রামের নাফ নদের তীর সাঁতরিয়ে ইয়াবা নিয়ে অনু প্রবেশকালে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৫০ হাজার ইয়াবা, একটি চায়না পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ।
টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়সাল হাসান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন, উখিয়া কুতুপালং ৫ নম্বর ক্যাম্পের জি ২/ই ব্লকের মোহাম্মদ শফির ছেলে মো. আলম (২৬) ও বালুখালী ২ নম্বর ক্যাম্পের কে-৩ ব্লকের মো. এরশাদ আলীর ছেলে মো. ইয়াছিন (২৪)।
কক্সবাজার ব্যাটালিন (৩৪ বিজিবি) সুত্রে জানা গেছে, জানুয়ারী থেকে গতকাল পর্যন্ত চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানে ৩৪,২৩,৮৯,১০ টাকা মুল্যের ১১,৪১,২৯৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ও ৮৯ জন আসামী আটক করা হয়।এছাড়াও বিজিবির সাথে বন্দুক যুদ্ধে ৯ জন ইয়বা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।
তাদের সর্বশেষ অপারেশন গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের তুলাতলী জলিলের ঘোনা ব্রিজের পাশে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। তারা ইয়াবাকারবারি ছিল বলে দাবি করেছে বিজিবি। এ সময় তিন লাখ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় পাইপগান ও পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত রোহিঙ্গারা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু কোনারপাড়া জিরোপয়েন্টে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত জুলুর মুল্লুকের ছেলে নুর আলম (৪৫), উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ এর জি/২৯ ব্লকের মো. গোরা মিয়ার ছেলে মো. হামিদ (২৫) ও উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের-২ এর ডি-৪ ব্লকের মো. সৈয়দ হোসেনের ছেলে নাজির হোসেন (২৫)।
অপরদিকে কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে দুই মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়ার কম্বনিয়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা জব্দ করা হয়। নিহতরা হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২০) ও হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া এলাকার আলী আহাম্মদের ছেলে আব্দুল জলিল (৩০)
অপরদিকে টেকনাফ সীমান্তের। ২৬জুন শুক্রবার দুপুরে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের মনখালীর চেপটখালীর গহিন পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমের দুই ভাইসহ চার সহযোগী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি অস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্যও আহত হন। নিহতরা হলেন- বশির আহমদ, মো. হামিদ, মো. রফিক ও রইঙ্গা। তারা শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগী ছিলেন। নিহতরা টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাসিন্দা এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ, ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে বশির ও হামিদ ডাকাত হাকিমের ভাই।
চলতি বছরের জুন মাস থেকে গতকাল পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৬০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা যায়। তার মধ্যে ২৬ জন সক্রিয় ডাকাত ছিল বলে জানা যায়। বাকিরা রোহিঙ্গা মাদক কারবারি।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদক বিক্রি ও সেবনের আখড়া। ইয়াবা মজুতের জন্যও ব্যবহৃত হচ্ছে জনবহুল ওই ক্যাম্পগুলো। এমনকি অনেক ইয়াবা কারবারিও সেখানে আশ্রয় নিচ্ছে। এভাবেই টেকনাফ রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে ইয়াবা ব্যবসা ও পাচার বেড়ে চলছে। শুধু একটি ক্যাম্পে ইয়াবা ব্যবসা ও পাচারে জড়িত ৮০ জনের নাম স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেওয়া হয়েছে বলে এক রোহিঙ্গা নেতা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশে মাদকের চাহিদা আছে। তাই সরবরাহও আছে। কিন্তু সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে চাহিদা বাড়তেই থাকবে। বাংলাদেশকে মাদক পাচারের রুট হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে গ্রেফতার হলে পরিচয় লুকানোর কারণে মাদক সংক্রান্ত মামলায় আটক রোহিঙ্গাদের সঠিক সংখ্যা জানা কঠিন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, ‘ইয়াবার সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কেউ রেহাই পাবে না। সরকারের নির্দেশে ইয়াবা বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমাদের তৎপরতার কারণে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আসা অনেকটাই বন্ধ হয়েছে। এই মরণ নেশা ইয়াবা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’

উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, “উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বিপুল এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এদিকে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কারসাজিতে পরপর দুই বার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যেখানে রোহিঙ্গাদের এমন অপরাধ কর্মকাণ্ড ও সহিংস আচরণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও ভাবিয়ে তুলেছে।”

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, আগে রোহিঙ্গারা খাবারসহ নানা প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতো। এখন তাদের খাবার ও সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য কোথাও দৌড়াতে হয়না। এনজিওরা তাদের ঘরে ঘরে সব প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দিচ্ছে। কোনো কাজ ও সংসারের পিছুটান না থাকায় রোহিঙ্গারা নানা অপকর্মে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে ইয়াবা রাজ্য বানিয়েছে। ধর্ষণ, খুন, হামলা তাদের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে। তাদের কারণে স্থানীয়রা এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আতংকের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয়রা।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমনে র‌্যাবের প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে। পাশাপাশি মাদক পাচারে জড়িত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। র‌্যাবের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে। টহল জোরদার করেছে র‌্যাব।”

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, “রোহিঙ্গারা আশ্রয় নেওয়ার পর অবস্থান যতটা নীরব ছিল, এখন তেমনটি নেই। আগে তাদের চাহিদা ছিল খাদ্য এবং চিকিৎসার ওপর। এখন রেশনের খাবার খেয়ে আলস্যতার কারণে তাদের মাথায় দুষ্টবুদ্ধি কাজ করে প্রতিনিয়ত। তাছাড়া ক্যাম্পগুলোতে অর্ধেকেরও বেশি যুবক। ফলে অপরাধ প্রবণতা বাড়ার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে সংখ্যাগত দিক দিয়ে একটু খারাপের দিকেই যাচ্ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিয়মিত টহল ও অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। কঠোর অবস্থান ও নজরদারিতে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।”

তিনি বলেন, “২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট পরবর্তী মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, ত্রাণ সামগ্রী বণ্টন নিয়ে বিরোধ, পূর্ব-শত্রুতার জের, ইয়াবা কারবার, অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধে অপহরণ, খুন, ধর্ষণের মতো অনেক ঘটনা ঘটেছে।”
পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (২০১৭-২০২০) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রোহিঙ্গাদের আসার পর শরণার্থী অধ্যুষিত কক্সবাজার জেলায় ইয়াবা আটকের পরিমাণ বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়ে গেছে মাদক মামলা ও আসামি গ্রেফতারের সংখ্যাও। ২০১৭ সালে টেকনাফ উপজেলা থেকে উদ্ধার করা ইয়াবার মোট পরিমাণ বলা হয় দেড় কোটি। ২০১৮ সালে উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় দুই কোটিতে। আর ২০১৯ সালে এই পরিমাণ আড়াই কোটি ছাড়িয়ে যায়।

Comments are closed.