৯ টি চোরাই গরু উদ্ধার করলো ঈদগাঁও পুলিশ, আটক ২

ইমাম খাইর, কক্সবাজার
কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী বড় চৌধুরী পাড়া ও ইসলামপুরে পৃথক অভিযানে ৯ টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে ঈদগাঁও পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মোঃ আসাদুজ্জামান, টু আইসি শেখ ফরিদ এবং এএসআই মহি উদ্দিনের প্রচেষ্টায় গরুগুলো উদ্ধার হয়।

চুরিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১টি এলজি, এক রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি বড় কিরিচ, একটা বড় ছোরা, একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়ার গরুগুলো প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও গরু চুরির অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলা তাদের আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র মামলায় ৬ জন আসামী সবাই এজাহারনামীয়। গরু চুুরিতে অজ্ঞাতনামা আসামী রাখা হয়েছে।

ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঈদগাঁও কালির ছড়া এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একটি এলজি, এক রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি বড় কিরিচ, একটা বড় কোরা, একটি লোহার রডসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

তারা হলো- চকরিয়া পূর্ব বড় ভেউলা ১নং ওয়ার্ডের ঈদমনি এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২৬) ও একই এলাকার মৃত সৈয়দ নুরের ছেলে নন্না মিয়া (৪৫)।

আইসি জানান, আটক ডাকাতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেয়া তথ্য মতে গত ৫ জুন দিবাগত রাতে চাঁন্দেরঘোনা হতে চুরি হওয়া ০৫ টি গরু ভারুয়াখালী বড় চৌধুরী পাড়া হতে উদ্ধার করা হয়েছে।

একই দিন রাত সাড়ে চারটার দিকে ধাওয়া করে ইসলামপুর এলাকা থেকে ০৪ টি চোরাই গরুসহ একটি পিকআপ গাড়ি আটক করা হয়েছে। গুরুগুলো চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীর এক ব্যক্তির। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে থানা পুলিশের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয়রা বলছেন- আগামীতে গরুচোর ঠেকাতে মাছুয়াখালী রাস্তার মাথা ও ইসলামপুরের নতুন অফিসে চেকপোস্ট বসানো দরকার। অন্যথায় গরুচুরি রোধ করা সম্ভব নয়।

Comments are closed.