শীতের শুরুতেই কক্সবাজারে বেড়ে চলছে পর্যটনের আনাগোনা

IMG_20191121_232916.jpg

খাইরুল ইসলাম  

কর্ম ব্যস্ততার নাগরিক জীবন থেকে বেরিয়ে এসে জীবনের রঙিন স্বাদ উপভোগ করতে মানুষ বেরিয়ে পড়ছে পৃথিবীর পথে। শীতের হিম হাওয়া বয়তে শুরু করছে ধীরে ধীরে। এমনই সময়ে বিশ্বপর্যটনের অবকাশ যাপনের মূল কেন্দ্র কক্সবাজারও মুখরিত হয়ে ওঠেছে পর্যটকদের ব্যস্ত কলধ্বনিতে। আজ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে চোখে পড়ে পর্যটকের উচ্ছ্বসিত ভিড় যা বিগত চার- পাঁচ মাস ধরে তেমন ব্যস্তময় করে তুলতে পারেনি শহরের হোটলে মোটেল ও বিপণী বিতান গুলো। সাগরের পাড় বেয়ে হাটতে হাটতে দেখা মিলে বিভিন্ন জায়গার পর্যটকের। কেউ বা এসেছে বাহিরের দেশ থেকে আবার কেউ বা এসেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তাঁরা উপভোগ করছেন তাদের স্বপ্নের ভ্রমণকে নানা ভাবে। সন্ধ্যার হিম বাতাস উপেক্ষা করে তখনো অনেক পর্যকট সমুদ্র স্নানে মত্ত।অনেকই আবার প্রিয় মানুষকে পাশে নিয়ে সৈকত চেয়ারে বসে উপভোগ করছিল গোধূলি লগ্নের রক্তিম সূর্যাস্ত। ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক দম্পতি থেকে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প সম্ভাবনা সম্পর্কে জিগ্যেস করলে তারা বলেন, ” তাদের কাছে এবারের ট্যুর যেন অন্যবারের ট্যুর থেকে ভিন্ন মনে হচ্ছে। বিশেষ করে সৈকতের পরিছন্নতা ও ট্যুরিস্ট পুলিশের আন্তরিকতা, লকার ব্যবস্থা, এবং সর্বোপরি সড়কের মোড়ে সিসিটিভি ও লাইটিং তাদের কাছে আশানুরূপ ভাল লেগেছে।”
পর্যটকদের আগাম আনাগোনা নিয়ে টুরিস্ট অপারেটর এসোসিয়েশন (টুয়াক) এর সভাপতি এস এম কিবরিয়া বলেন, ” পর্যটকদের আগাম আনাগোনা প্রমাণ করে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প সম্ভাবনা অগ্রগতি হয়েছে।তিন আরো বলেন, যদি কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল ও বিপণী বিতান গুলো পর্যকদের সাথে আন্তরিক ও সৎ ব্যবহার করে তবে কক্সবাজার একদিন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম ভ্রমণকেন্দ্রে পরিণত হবে ” এ বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান (……?…..) বলেন, “পর্যটকদের আগাম আগমন দেখে তারা সৈকতে ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি সহ আরো বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছ।