সিবিআইইউ‘র “ল” ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

Law-C.jpg

মুহাম্মদ ছলিম উল্লাহ সুজন

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারের দুই কৃতি সন্তান রাজনীতিবিদ ও শিল্পোদ্যাক্তা সালাহ উদ্দীন আহমদ সিআইপি ও শিক্ষানুরাগী লায়ন মুহাম্মদ মুজিবুর রহমানের অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ২০১৩সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভ উদ্ভোধনের মাধ্যমে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চারটি অনুষদ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।

গত ২৯ অক্টোবর’১৯ইং তারিখের সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম বারের মত উৎসব মুখর পরিবেশে কক্সবাজারের একমাত্র সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের “ল” ক্লাবের যাত্রা শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে গত ১৮নভেম্বর’১৯ইং তারিখে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স ভিাগের প্রধান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ছিদ্দিকী ও আইন অনুষদের বিভাগীয় প্রধান রাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং আইন অনুষদের অন্যান্য শিক্ষক ও “ল” ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও এডভাইজরি বোর্ডের সভায় “ল” ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়ে “ল” ক্লাবকে আরও বেগমান করে তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উক্ত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যারয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ.এস.এম.সাইফুর রহমান। এসময় নির্বাচনে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারের যুগান্তকরী সিদ্ধান্তের আলোকে ২০১৩ সালে শিক্ষানুরাগী লায়ন মুহাম্মদ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (সিবিআইইউ)।

দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের পদভারে মুখরিত ২০ লক্ষাধিক নাগরিকের জেলা শহরে কোন উচ্চ বিদ্যাপীঠ না থাকাই ছিল এখানকার সবচে বড় অপূর্ণতা। উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য পাড়ি জমাতে হতো অন্য শহরে, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামে। এ যাবত কালে কক্সবাজারে সবই ছিল, ছিল না কেবল একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এই শূণ্যতা পূরণে উদ্যোগ গ্রহণ করেন কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়ার কৃতি সন্তান লায়ন মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান। তিনি গত তিন দশক ধরে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রসারে ব্যাপৃত থাকায় নিজের লব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়কে ধাপে ধাপে উন্নতির উচ্চাসনে নিয়ে চলেছেন।