চকরিয়ায় দখলবাজ চক্রের কবল থেকে বন বিভাগের অভিযানে ২০ একর জায়গা দখলমুক্ত

Land.jpg

এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :

কক্সবাজারের উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের অধীনস্থ উপজেলার কাকারা বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ২০ একর বনভূমির জায়গা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অবৈধ জবর-দখলকারী কবল থেকে অভিযান চালিয়ে দখলমুক্ত করা হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের পূর্ব পাহাড় ও সংরক্ষিত বনবিভাগের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভাসমান স্থাপনা উচ্ছেদ করে বনবিভাগের জায়গা উদ্ধার করা হয়।
বনবিভাগ সূত্রে জানাগেছে, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের অধীনস্থ কাকারা বনবিটের সংরক্ষিত বন এলাকায় বেশ কিছু অবৈধ বনভুমি দখল করে ক্ষেত ও ভাসমান স্থাপনা নির্মাণ করে অন্তত ২০ একর জায়গা জবর-দখলে নেয় কতিপয় ভূমিদস্যু চক্র। দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের জায়গা ভূমিদস্যুদের জবর-দখলে রাখার বিষয়টি নজরে আসলে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাে: তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল বনকর্মী নিয়ে আকস্মিক ভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বনবিটের ওই এলাকায় বন কর্মীরা বেশকিছু ভাসমান পলিথিনের বসতঘর উচ্ছেদ করে বনবিভাগের প্রায় ২০একর জায়গা দখলমুক্ত করে কাকারা বন বিটের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলামের সাথে অভিযানে অংশ নেন ডুলাহাজারাস্থ ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: মাজাহারুল ইসলাম ,ডুলহাজারা বনবিট কর্মকর্তা ইলিয়াছ হােসেন, নলবিলা ফরেস্ট ষ্টেশনের ষ্টেশন কর্মকর্তা মোস্তফিজুর রহমান, কাকারা বন বিট কর্মকর্তা হুমায়ন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের কর্মীরা।
কাকারা বন বিট কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, সরকারি বনবিভাগের জায়গা দখল করে কাকারা বনবিটের আওতাধীন সংরক্ষিত বন এলাকার ২০ একর জায়গা অবৈধ ভাবে জবরদখলে রেখেছিল একটি ভূমিদস্যু চক্র। গতকাল বিকেলে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাে: তহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ দখলবাজ চক্রদের ২০একর জায়গা দখলমুক্ত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বন ভূমিতে অবৈধ জায়গা দখল করে যে সমস্ত লোক বসতি নির্মাণ করবে সে যেই হোক না কেন তা কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ছাড়া বনভূমির অন্যান্য এলাকায়ও সরেজমিন পরিদর্শন করে পরবর্তীতে অবৈধ দখলবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।