ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত সানজিদার বাড়িতে ছুটে গেলেন চকরিয়ার পৌর কাউন্সিলর জিয়াবুল, 

received_433210354247633.jpeg

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল, চকরিয়া প্রতিনিধি:
মানবতার প্রসারে যেন থেমে নেই কাউন্সিলর জিয়াবুল! একের পর এক মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে মানবসেবায় চষে বেড়াচ্ছেন চকরিয়া পৌরশহর পেরিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে।এরই ধারাবাহিকতায় পার্শবর্তী উপজেলা পেকুয়া জিএমসির এতিম ছাত্রী সানজিদাকে বাঁচাতে কাউন্সিলর জিয়াবুলের সহযোগিতা প্রদান করে বরাবরেরে মত প্রমাণ করলেন চলমান রাজনীতির স্বার্থহাসিল উদ্দেশ্য প্রণোদিত দান নয় প্রকৃত মানবসেবায় নিঃস্বার্থভাবে মানব কল্যাণে অসহায়,দুস্ত পরিবারের পাশে দাড়ানোটায় মূল লক্ষ।সেই লক্ষে ছুটে যান ৯নবেম্বর (শনিবার) বিকাল চারটার অসহায় সানজিদার বাড়িতে।এসময় সানজিদার বড় বোন (মুসলিমা জন্নাত এলী) হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন সর্বদাই মানবসেবায় আত্ননিয়োজিত তৃণমূলের জনবান্দব ব্যাক্তিত্ব কাউন্সিলর জিয়াবুল।
উল্লেখ্য,সানজিদা অাক্তার, পেকুয়া জিএমসি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। বাড়ি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের হরিনাফাঁড়ি এলাকায়।পিতৃহারা এ মেয়েটি মা অার এক বোন ছাড়া অার কেউ নাই। মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারে অাক্রান্ত। বর্তমানে মা (রোহানা ফেরদৌসি বেলী) ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অাছে। চিকিৎসক বলেছেন দুই লক্ষ টাকা হলে মেয়েটির অপারেশন করলে ভাল হয়ে যাবে। অতিতে চিকিৎসা করতে গিয়ে একমাত্র মায়ের যা সম্বল ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। হৃদয়বান ব্যক্তিদের অল্প অল্প দানে মেয়েটিকে বাঁচানো সম্ভব হবে। সকলের একটু সহযোগিতায় অাবারো স্কুলে যেতে পারবে মেয়েটা। সমাজের সকল বিত্তবানদের অসুস্থ সানজিদার পাশে দাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন অসহায় সানজিদার পরিবার,,,,,,,
কাউন্সিলর জিয়াবুল বলেন, যখন দেশে নির্বাচন আসে তখন প্রার্থী কিংবা নেতাদের আশার বাণীসহ গরীব দরদী হয়ে উঠেন কিন্তুু ভোট শেষে সেবা প্রদান কিংবা ভালবাসার বাণী তো দূরের কথা উল্টো হজম করতে হয় নানা হাঁকাবকা।প্রকৃতঅর্থে আমি মনেকরি জনগনের সাহায্য সহযোগীতাসহ সেবাপ্রদান যে করতে পারবে রাজনীতি করা তারই অধিকার। অসুস্থ সানজিদাকে নিয়ে যেভাবে সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই বিষয়ে তার পরিবারের কাছে জানতে চাইলে চিকিৎসা বাবদ টাকা কি পরিমাণ যোগাড় হয়েছে জবাবে মা বলেন বিদেশ থেকে এক আত্নীয় চার হাজার টাকা পাঠিয়েছে আর আপনি ছাড়া আর কেউ খবরও নেয়নি।অত্যন্ত দুঃখের বিষয় একজন মৃত্যুপথ যাত্রী নিয়েও বাহাবা নেয়ার লক্ষে লোকদেখানো অনেক কিছু বলে বা করে থাকেন।তাই বলব ওয়াশ করা নয় প্রকৃত অসহায়দের পাশে দাড়ান। “ত্যাগই প্রকৃত সুখ”,মানবসেবা হোক রাজনীতির মূল লক্ষ উদ্দেশ্য।