ইউরিন ইনফেকশনে অবহেলা নয়

urine_pic.jpg

ছবি : সংগৃহীত

ডা. এমএন ইসলাম

 

রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, শরীরে মোট পানির পরিমাণের ভারসাম্য রক্ষা করা কিডনির কাজ। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হতে পারে মূত্রতন্ত্রের যে কোনো অংশে। কিডনি, মূত্রনালি বা মূত্রথলি অথবা একাধিক অংশে একসঙ্গে এ ধরনের ইনফেকশন হতে পারে। সংক্ষেপে এ ইনফেকশনই ইউরিন ইনফেকশন। নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে এ সমস্যা হলেও নারীদের মধ্যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্তের প্রবণতা বেশি। রোগের লক্ষণ হলো- প্রস্রাবে বাজে গন্ধ, বমি ভাব বা বমি হওয়া, প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া, তলপেট বা পিঠে তীব্র ব্যথা, একটু পর পর প্রস্রাব লাগা কিন্তু ঠিকমতো না হওয়া, প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করা, সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব অথবা কাঁপুনি দিয়ে ঘন ঘন জ্বর হওয়া ইত্যাদি।

রোগ প্রতিরোধে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করা, যৌনমিলনের আগে ও পরে মূত্রত্যাগ করা, ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। এ ছাড়া ইউরিনারি ইনফেকশনের কারণে সৃষ্ট ব্যথা উপশমে অল্প গরম পানিতে গোসল অনেকের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। ঢিলেঢালা পোশাক পরা, সুতি কাপড়ের অন্তর্বাস ব্যবহার, নিয়মিত গোসল করা, সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ইত্যাদি খুবই জরুরি।

ইউরিন ইনফেকশনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা করা মোটেও ঠিক নয়। সমস্যা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা গ্রহণ খুব জরুরি। অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকেরও শরণাপন্ন হতে পারেন। হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। এ সমস্যা সমাধানে হোমিও চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকরী।

লেখক : হোমিও চিকিৎসক

চেম্বার : এইচ-২৩ আমতলী

মহাখালী, ঢাকা

০১৯৭০৫৫৫৯১৯, ০১৭৫২১১৭১৬১