নাইক্ষংছড়িতে ইয়াবা ব্যবসার নেপথ্যে হুন্ডি ব্যবসায়ী

received_497800680762947.jpeg

নাইক্ষংছড়িতে ইয়াবা ব্যবসার নেপথ্যে হুন্ডি ব্যবসায়ী
নিজস্ব প্রতিবেদন:
নাইক্ষংছড়িতে ইয়াবা ব্যবসার নেপথ্যে হুন্ডি ব্যবসায়ী
এত দিন শুধু ইয়াবা কারবারি ও বাহকেরা ছিলেন মাদক ব্যবসার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কিন্তু নেপথ্যে যাঁরা নাইক্ষংছড়িতে ইয়াবা আনতে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছেন, তাঁরা সবাই হুন্ডি ব্যবসায়ী।

কীভাবে দেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে, সৌদি, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও ভারত জাপান হয়ে রেঙ্গুন ইয়াবা কেনার টাকা পাচার হচ্ছে,কারা এই হোন্ডি ব্যবসায়ী তা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা।

সুত্রে জানা গেছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় হুন্ডি ব্যবয়াসীদের মধ্যে শীর্ষ পাঁচ জন নাইক্ষংছড়ি উপজেলায় রয়েছে। সক্রিয় এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা দেশের বাইরে এবং ঢাকা চট্টগ্রাম এলাকার বিলাসবহুল বাড়ী গাড়ির মালিক।
টেকনাফ বন্দুক যুদ্ধে নিহত হাজী সাইফুলের ঘনিষ্ঠ হুন্ডি ব্যবসায়ী এই সিন্ডিকেট নাইক্ষংছড়ি বর্তমানে সক্রিয় ভাবে বিভিন্ন পেশার মানুষকে সংযুক্ত করে ব্যবসা চালাচ্ছে।

নাইক্ষংছড়ি দৌছড়ি, সোনাইছড়ি, ঘুমধুম পথে ইয়াবা পরিবহনের রোড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও বিজিবির হাতে পরিবহনকারী ইয়াবার বাহক আটক হলেও মূল আসল হুতা ধরা ছুয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। মূলত কোটি টাকার এই ইয়াবা ব্যবসার আসল পৃষ্ঠপোষকতায় লুকিয়ে আছে বেশ কয়েকজন আদমপাচারকারী ও হুন্ডি ব্যবসায়ী।

নাইক্ষংছড়ি উপজেলার প্রবাসী হুন্ডি গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করে জানাগেছে, হুন্ডি ব্যবসা বন্ধ হলে দেশে বড় কোন ইয়াবা চালান প্রবেশ করা সম্ভব হবে না। এই ব্যবসার সাথে অধিকাংশ রোহিঙ্গা বংশদ্ভূত বাংলাদেশী নাগরিক জড়িত বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন পেশার আড়ালে তাদের আসল ব্যবসা হলো হুন্ডি ও ইয়াবা ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকতা।

রোহিঙ্গা কেম্প কেন্দ্রিক আরো সক্রিয় হয়ে উঠেছে নাইক্ষংছড়ির হুন্ডি ব্যবসায়ী চক্র। নাইক্ষংছড়ি থেকে সোনাইছড়ি- ঘুমধুম- কুতুপালং রোহিঙ্গা কেম্প এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারনে নাইক্ষংছড়ি সক্রিয় সিন্ডিকেট এর নিয়ন্ত্রণে প্রবাসী রোহিঙ্গাদের হুন্ডির টাকা পাঠানো অনেকাংশেই সহজ হয়ে দাড়িয়েছে।