যাবজ্জীবনের মেয়াদ নিয়ে রায় যেকোন দিন

Suppreem-Court.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু নাকি ৩০ বছরকারাদণ্ড এ সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে যেকোন দিন রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ। বৃস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রায় ঘোষণার জন্য আবেদনটি অপেক্ষমান রাখেন।

আদালতে রিভিউ অবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম । এছাড়া আদালতে এই মামলায় অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে মতামত তুলে ধরেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ,অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান ও আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন তাদের মতামত তুলে ধরেন।

অ্যামিকাস কিউরিরা প্রত্যেকে আদালতে যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছরের পক্ষে মতামত তুলে ধরেন। এর আগে গত ১১ এপ্রিল ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড’এ সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ শুনানিতে ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’ হবে কিনা সে বিষয়ে আইনি মতামত তুলেধরতে চার সিনিয়র আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ দেন আদালত।

অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ২০১৩ সালে একটি মামলার রায়ে আপিল বিভাগের বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার নেত্বত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেন যে, যাবজ্জীবন সাজা মানেই ২২ বছর ছয় মাস। বেঞ্চের অপর সদস্যরা ছিলেন বিচারপতি ইমান আলী, আনোয়ার উল হক ও হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।তবে ২০১৭ সালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেত্বত্বে চার সদস্যের অন্য বেঞ্চ একটি মামলায় সিদ্ধান্ত দেন যে, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড। শিশির মনির আরও বলেন,জেলকোড এবং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা, প্রিজন অ্যাক্টের ৫৯ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর। আর যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু হলে ফৌজদারি ৩৫ (ক) অকার্যকর।