বাঁশখালীতে সর্প দংশনের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

doctor.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

৪র্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচী (HPNSP)-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জিওবি সার্ভিস প্ল্যান অন্তর্ভূক্ত বাস্তবায়নাধীন  RPA (GoB) Package No: SP-02 ‘Provision of improved antivenom (AV): collection, processing and preservation of snake venom from the major venomous snake species that are medically relevant in Bangladesh’

কার্য্যক্রমের অংশ হিসাবে ২০/০৬/২০১৯ইং, বৃহস্পতিবার, বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্পদংশনের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ কমরুল আযাদ এর সভাপতিত্ব করেন।

উক্ত প্রশিক্ষণে ও সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক (ডাঃ) এম এ ফয়েজ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব চৌধুরী মোঃ গালিব সাদলী।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন চট্টগ্রাম ডাঃ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-বশিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবদুল মমিন ও এই প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অনিরুদ্ধ ঘোষ।

আরো উপস্থিত ছিলেন এই প্রকল্পের সহ-গবেষক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবদুস সাত্তার এবং সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আবদুল্লাহ আবু সাঈদ।

এছাড়াও উক্ত আলোচনা সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্য্যায়ের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ নিজ নিজ বক্তব্যে সর্পদংশনের গুরুত্ব এবং এর চিকিৎসা ও প্রতিরাধ ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্য্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকটি স্তরে জনগনের মাঝে সর্পদংশন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির উপর জোর দেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে সর্পদংশনের যে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা রয়েছে সে তথ্য মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ সকলকে নিজ নিজ এলাকায় জনসচেতনতা তৈরীর পরামর্শ প্রদান করেন।

বক্তারা জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সর্পদংশনে মৃত্যুর হার অনেকটা কমানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন।