দুপুর পর্যন্ত কোন শিক্ষক হাজির না থাকায় দরিয়ানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনির্ধারিত ছুটি

IMG_20190619_233006.jpg

দুপুর পর্যন্ত কোন শিক্ষক হাজির না থাকায় দরিয়ানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনির্ধারিত ছুটি

আহমদ গিয়াসঃ 

কক্সবাজার শহরতলীর দরিয়ানগর (বড়ছড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার কোন পাঠদান চলেনি। সকাল থেকেই স্কুলের চার শতাধিক শিশু যথাসময়ে স্কুলে হাজির হলেও বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত কোন শিক্ষক হাজির ছিলেন না। ফলে স্কুলের দপ্তরী শিক্ষার্থীদের অনির্ধারিত ‘ছুটি’ দিয়ে দেন। এনিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে চাঞ্চল্যের পাশাপাশি স্কুলগামী শিশুদের অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দরিয়ানগর (বড়ছড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও গত ৬ মাস ধরে শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। তারাও নিয়মিত স্কুলে আসেন না। এমনকি প্রায়ই একজন শিক্ষকই চারশ’ শিশুকে একাই পাঠ দান করেন। তবে বুধবার কোন শিক্ষকই স্কুলে হাজির ছিলেন না। ফলে দুপুর ১টার দিকে দপ্তরী স্কুলে ছুটি দিয়ে দিয়েছেন।
দরিয়ানগর বড়ছড়া আশ্রায়ণ ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, দরিয়ানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যবস্থা প্রায় ভেঙ্গে পড়েছে। এরই ফলশ্রæতিতে বুধবার শিক্ষক হাজির না থাকায় স্কুলে অনির্ধারিত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এবিষয়ে স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক বিউটি পাল বলেন, দরিয়ানগর (বড়ছড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও গত ৬ মাস ধরে শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। দুইজন শিক্ষক পিটিআই’র ২ বছরের ট্রেনিং-এ এবং একজন শিক্ষক ইত:পূর্বে বদলী হয়েছেন। বাকী দুইজন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষকও কয়েকদিন আগে ৫দিনের প্রশিক্ষণে গেছেন। ফলে এখন এই স্কুলের এক মাত্র শিক্ষক আমিই। কিন্তু বুধবার স্কুলের প্রতিনিধি হিসাবে মাসিক সমন্বয় সভায় যোগদান করতে হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত স্কুলে হাজির থাকতে পারিনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে ৫ জনের স্থলে মাত্র দুইজন শিক্ষক। তার উপর গত কয়েকদিন ধরে একাই দায়িত্ব পালন করতে আমি শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থতাবোধ করছি। একারণে আমিও এই স্কুল থেকে বদলীর জন্য বর্তমানে তদবির চালাচ্ছি।