গর্জনিয়ার জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন

62246717_2341790679478458_2377430003684999168_n.jpg

গর্জনিয়ার জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন

মোঃ নেজাম উদ্দিন ।
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ার ২নং ওয়ার্ড়ের জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১০ টা থেকে জুমছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও চট্রগ্রাম শিক্ষা বোর্ড়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবুল কাসেম মোহাম্মদ ফজলুল হক, প্রধান বক্তা ছিলেন প্রাক্তন ছাত্র নাইক্ষ্যংংছড়ি হাজী এম,এ কালাম  সরকারী ড়িগ্রী কলেজের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, ।

স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও অত্র স্কুলের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মাষ্টার আহমদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড় সদস্য এহেসান উল্লাহ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি আজিজ মওলা , সাংবাদিক নেজাম উদ্দিন, সমাজ সেবক গোলাম মওলা, মাস্টার সৈয়দ আলম,

অনুষ্টানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার ফয়জুল্লাহ। পূর্ণমিলনী অনুষ্টানে সর্ব সম্মতিক্রমে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনকে সম্পাদনা পরিষদের প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট সম্পাদনা কমিটি গঠন করা হয় । অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন শাপলাপুর মাদ্রাসার সহ সুপার মৌলানা অলি আহমদ ,শ্রমিক লীগের ওয়ার্ড় সভাপতি আবুলকালাম , , সমাজসেবক কবির আহমদ,আবদুর রশিদ, মৌঃ নাজের , মৌ জয়নাল আবেদীন ব্যাংকার জয়নাল আবেদীন , পূর্ব জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আবুল কালাম,কক্সবাজার সরকারী কলেজের ইংরেজী বিভাগে ছাত্র খাইরুল ইসলাম, প্রমুখ।

সাংবাদিক নেজাম উদ্দিন বলেন আমাদের সংস্থা ইয়ারলি চাইল্ড কেয়ার সেন্টার প্রাথমিক শিক্ষার সহায়ক হিসাবে কাজ করছে এই পর্যন্ত আমরা এলাকায় ৩-৫ বছরের শিশুদের জন্য দুটি স্কুল প্রতিষ্টা করেছি যা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখবে , তিনি আরো বলেন বর্তমানে এই স্কুল থেকেে গত বছরের পিইসি পরীক্ষায় গোল্ড়েন পেয়েছে তাদের সম্মানীত করবে যেন অন্য শিক্ষার্থীরা আগ্রহ পায় পড়ালেখায়।

এদিকে প্রধান শিক্ষক মাষ্টার ফয়জুল্লাহ বলেন ১৯৩৭ সালে এলাকার জমিদার ম,রহুম আবদুল হাদী মুন্সী এই ব্যিালয়টি প্রতিষ্টা করেছিলেন বলে আজ আমরা ৮২ বছর পর অনেক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার সম্মীলনে আজকের এই ঈদ পূর্ণমিলনী সার্থক হয়েছে, এবং প্রষ্টিা কাল হতে প্রথমবার এই বছর ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্টান অনুস্টিত হলো ।

প্রধান অতিথি স্মৃতিচারন করতে গিয়ে বলেন আমরা এই স্কুলে যেমন পড়ালেখায় ভালো ছিলাম তেমনি দুষ্টমীতে ভরা ছিলাম আমাদের তখনকার ক্লসমেটরা এখন অনেকে অনেক জায়গায় কাজ করছে মাঝে মধ্যে দেখা হয় , যে যার জীবন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে তার পরেও আজকে আমরা সকলে একসাথে মিলিত হতে পরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি । এমন অনুষ্টান যেন প্রতি বছর হয় আয়োজকদের আহবান জানান তিনি।

প্রধান বক্তা অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন আমরা যখন এই স্কুলে পড়ালেকা করেছি তখন য়ে টিচারগন ছিল আমাদেরকে সন্তানের মত আদর করতেন এবং ঠিক সেই ভাবে লেখা পড়া করাতেন । আমার শিক্ষকদের মধ্যে যারা বেচে নেই তাদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি ।
এদিকে অনুষ্টানে প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী ছাড়াও এলাকার সুশীল সমাজের সসকলে উপস্থিত থেকে অনুষ্টানকে সার্থক করে তুলেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় করেন স্কুলে প্রাক্তন ছাত্র ও স্কুলের সহকারী শিক্ষক মাষ্টার আমির হোসাইন।