খুরুলিয়া আলোচিত জমি বিরোধ নিয়ে প্রবাসী শফিকের বক্তব্য

IMG_20190520_220004.jpg

 

প্রিয় জম্মভূমি খরুলিয়াবাসী, কক্সবাজার জেলার সচেতন জনগণ, সাংবাদিক ভাই ও বন্ধুগন – আসসালামু আলাইকুম।
আমি শফিকুল ইসলাম, একজন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা।
বিগত কিছু দিন যাবত খরুলিয়ায় জমির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যমের কতিপয় সাংবাদিক ভাইয়েরা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে জড়িয়ে সাজানো ও বানোয়াট ভাইরালকৃত ভিডিও দ্বারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আসছেন। যার দরুন আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং আমার পরিবার আজ চরম হুমকির মুখে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় এক কুচক্রী স্বার্থণ্বেষী মহল একের পর এক নারী ও শিশু নির্যাতন সহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে আমি এবং আমার পরিবারকে হয়রানি করে আমার ভোগ দখলিয়স্বত্ব জবরদখলের পায়তারা চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় প্রতিনিয়ত একের পর এক পুলিশ প্রশাসন দিয়ে আমার পরিবারকে চরম আতঙ্কের মধ্যে রেখেছে।। অথচ তিলকে তাল করা অভিযোগের সাথে আমার নুন্যতম কোন সম্পর্ক নেই । সুতরাং এই ঘটনা নিয়ে আমি এবং আমার পরিবার খুবই আতঙ্কিত ও মর্মাহত।এখানে উল্লেখ থাকে যে আমি বিগত ০৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে সৌদিয়া চলে আসি যা ঘটনা সংঘটিত হওয়ার এক সপ্তাহে আগে। আমি বিদেশে অবস্থান করাতে কয়েক ভাইয়ের পরামর্শে আমি নিরবতা পালন করি এই আশায় যে হয়তো তারা ভূল বুঝতে পারবে। এবং স্থানীয় মুরুব্বী আর প্রশাসনের সহযোগিতায় সমস্যাটি সমাধান হবে। কিন্তু দূঃখের বিষয় আমার নিরবতা বহুজনে আমাকে অপরাধী ভাবতে সন্দেহ করছে বিধায় উক্ত ঘটনার আসল বিষয়টি আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বন্ধুগন
খরুলিয়া মৌজার আর, এস, ১২৪৪,৯৬৮,৫৩২,৩০১, নং খতিয়ান একক ভাবে এবং ৫২, ৪৮, ৩৫ নং খতিয়ান আংশিক ভাবে জনৈক ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর রায়তী স্বত্ত্বীয় জমি ছিল। উক্ত খতিয়ানাদীর ১৪.২৪৮৩ একর জমিতে ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর স্বত্ত্ব দখলে থাকাবস্থায় তৎ স্বত্ত্ব ৫ পুত্র ২ কন্যা প্রাপ্ত হইয়া ওয়ারিশগনের মধ্যে আপোষ বন্টন মতে স্বত্ত্ব দখল প্রাপ্ত হয়ে ৫ পুত্র ২ কন্যা গনের নামে পৃথক পৃথক বি,এস, খতিয়ান সৃজীত হয়।
ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর পুত্র ফজল আহমদের নামে একক ভাবে বি,এস, ৭০৯ নং খতিয়ান এবং যৌথ ভাবে ২০, ১৫৭, ১৫৬, ১৫৯, ৬০৬, ১০৫৮ নং খতিয়ান, ছৈয়দ আহমদের অপর পুত্র বদিউল আলমের নামে একক ভাবে ৭৮৩ নং খতিয়ান ও যৌথ ভাবে ২০, ১৫৭, ১৫৯, ৬০৬, ১০৫৮ নং খতিয়ান এবং অন্যান্য পুত্র কন্যা গনের নামে একক ও যৌথভাবে অন্যান্য বি,এস, খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার হয়। ছৈয়দ আহমদ এর পুত্র ফজল আহমদ বি,এস,৭০৯ নং খতিয়ানের জমিতে ভোগ দখলে থাকাবস্থায় মৃত্যু বরণ করলে তৎ স্বত্ত্ব ৩ পুত্র ৪ কন্যা ( যথাক্রমে… ১। মুজাম্মেল হক ২। ছৈয়দ নুর ৩। নুরুল হক ) ৪ কন্যা ( যথাক্রমে… ১। মরিয়াম বেগম ২। শিরিন আক্তার ৩। শামশুন্নাহার ৪। আসিয়া খাতুন ) প্রাপ্ত হয়। উক্ত ওয়ারিশগনের মধ্যে মুজাম্মেল হক, মরিয়াম বেগম, শিরিন আক্তার, শামশুন্নাহার এবং ছৈয়দ নুরের ওয়ারিশগন হইতে বিগত ০৮/০৫/২০১৬ইং তারিখে ১৭৯২ নং দলিল মূলে বি,এস, ৭০৯ খতিয়ানের বি,এস, ৪১২৪ দাগের আন্দর ৩০ শতক এবং বি,এস, ৪১১৯ দাগের সম্পূর্ণ ১২ শতক মোট ৪২ শতক জমি পৃথক চৌহদ্দি উল্লেখ পূর্বক ঘেরা বেড়া দিয়া গাছ-গাছালী রোপণ করে টিউবওয়েল স্থাপন সহ পাহারা ঘর নির্মাণ করে উক্ত জমিতে সকলের জ্ঞাতসারে শান্তিপূর্ণ ভাবে আমি ভোগ দখলে আছি। এবং আমার নামে বি,এস, ২৬৬২ নং খতিয়ান প্রচার আছে। এবং তদানুসারে নিয়মিত খাজনাও আদায় করে আসছি।

প্রিয় আপামর জনসাধারণ…….
ছৈয়দ আহমদের পুত্র বদিউল আলমের ওয়ারিশ ( জনাবা সাজেদা বেগম ) তাহার পিতার নামীয় বি,এস, ৭৮৩, ২০, ১৫৭, ৬০৬, ১৫৯, ১০৫৮ নং খতিয়ান হইতে তাহার প্রাপ্ত সম্পূর্ণ ২৪.৭৯ শতক জমি নিয়া নিজ নামে বি,এস, ২৬২৯ নং খতিয়ান সৃজন করেন।
এতদসত্বেও সাজেদা বেগম তাহার পিতা ও নিজ নামের খতিয়ান আড়াল করে আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে যুগ্ম জেলা জজ(১ম) আদালত কক্সবাজারে অপর ১৮৯/২০১৬ নং মামলা দায়ের করে আমার মালিকানাধীন বি,এস, ৪১২৪ নং দাগের জমি সাজেদা বেগম ও তার ছেলে মেয়ে সহ সন্ত্রাসী লোকজন ভাড়া করে জোরপূর্বক ভাবে জবরদখলের জন্য সশস্ত্র হামলা চালিয়ে গাছ-গাছালী কর্তন ও ঘেরাবেড়া ভাংচুর করিলে তৎবিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিগত ০৪/০৪/২০১৯ইং তারিখে আমি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তৎক্ষণাৎ কক্সবাজার সদর মডেল থানার পক্ষথেকে বাদী বিবাদী উভয় কে সমস্ত কাগজপত্র সহ গত ১০/০৪/২০১৯ইং তারিখে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান পূর্বক নোটিশ জারি করলে ( আমার ছোট ভাই আবদুর রহিম কে যাবতীয় দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ব্যবসায়িক কারনে সৌদিয়া চলে আসলে সে সুযোগে সাজেদা বেগম গং তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাড়াকৃত সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিগত ১৭/০৪/২০১৯ইং তারিখে পূনরায় আমার ভাড়াটিয়াকে ব্যাপক হারে মারধর করে এবং ঘেরাবেড়া সহ ভাড়া ঘর ভাংচুর করে। পরবর্তীকালে আমার উক্ত জমি জবরদখলের ব্যাপক অপচেষ্টা চালায়। এ বিষয়ে আমার ছোট ভাই আবদুর রহিম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এজহার দায়ের করলে থানা মামলা নং ৬৬/১৭.০৪.১৯ হিসেবে রুজু করেন। অন্যদিকে সাজেদা বেগম গং উক্ত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে আমি এবং আমার পরিবারকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন এজেন্সি,সংবাদ মাধ্যম, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কে জঘন্য মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আসছে। এবং আমাকে ও আমার পরিবারকে হেয় করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
তাই, প্রিয় গনমাধ্যমকর্মী ভাই ও বন্ধুগন এবং কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনারা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রক্ষার স্বার্থে এবং বাহিরের তৃতীয় কুচক্রী স্বার্থন্বেষী মহল যাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে আমাদের কারো ঘাড়ে বসে ফায়দা লুটাতে না পারে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে নির্ভুলভাবে ঘটনার সঠিক ও সত্যতা যাচাই করে উভয়ের মধ্যস্থতায় সঠিক সমাধানে এগিয়ে আসার জন্য আমার প্রিয় খরুলিয়াবাসী আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রিয় জম্মভূমি খরুলিয়াবাসী, কক্সবাজার জেলার সচেতন জনগণ, সাংবাদিক ভাই ও বন্ধুগন – আসসালামু আলাইকুম।
আমি শফিকুল ইসলাম, একজন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা।
বিগত কিছু দিন যাবত খরুলিয়ায় জমির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যমের কতিপয় সাংবাদিক ভাইয়েরা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে জড়িয়ে সাজানো ও বানোয়াট ভাইরালকৃত ভিডিও দ্বারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আসছেন। যার দরুন আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং আমার পরিবার আজ চরম হুমকির মুখে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় এক কুচক্রী স্বার্থণ্বেষী মহল একের পর এক নারী ও শিশু নির্যাতন সহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে আমি এবং আমার পরিবারকে হয়রানি করে আমার ভোগ দখলিয়স্বত্ব জবরদখলের পায়তারা চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় প্রতিনিয়ত একের পর এক পুলিশ প্রশাসন দিয়ে আমার পরিবারকে চরম আতঙ্কের মধ্যে রেখেছে।। অথচ তিলকে তাল করা অভিযোগের সাথে আমার নুন্যতম কোন সম্পর্ক নেই । সুতরাং এই ঘটনা নিয়ে আমি এবং আমার পরিবার খুবই আতঙ্কিত ও মর্মাহত।এখানে উল্লেখ থাকে যে আমি বিগত ০৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে সৌদিয়া চলে আসি যা ঘটনা সংঘটিত হওয়ার এক সপ্তাহে আগে। আমি বিদেশে অবস্থান করাতে কয়েক ভাইয়ের পরামর্শে আমি নিরবতা পালন করি এই আশায় যে হয়তো তারা ভূল বুঝতে পারবে। এবং স্থানীয় মুরুব্বী আর প্রশাসনের সহযোগিতায় সমস্যাটি সমাধান হবে। কিন্তু দূঃখের বিষয় আমার নিরবতা বহুজনে আমাকে অপরাধী ভাবতে সন্দেহ করছে বিধায় উক্ত ঘটনার আসল বিষয়টি আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বন্ধুগন
খরুলিয়া মৌজার আর, এস, ১২৪৪,৯৬৮,৫৩২,৩০১, নং খতিয়ান একক ভাবে এবং ৫২, ৪৮, ৩৫ নং খতিয়ান আংশিক ভাবে জনৈক ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর রায়তী স্বত্ত্বীয় জমি ছিল। উক্ত খতিয়ানাদীর ১৪.২৪৮৩ একর জমিতে ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর স্বত্ত্ব দখলে থাকাবস্থায় তৎ স্বত্ত্ব ৫ পুত্র ২ কন্যা প্রাপ্ত হইয়া ওয়ারিশগনের মধ্যে আপোষ বন্টন মতে স্বত্ত্ব দখল প্রাপ্ত হয়ে ৫ পুত্র ২ কন্যা গনের নামে পৃথক পৃথক বি,এস, খতিয়ান সৃজীত হয়।
ছৈয়দ আহমদ মুন্সীর পুত্র ফজল আহমদের নামে একক ভাবে বি,এস, ৭০৯ নং খতিয়ান এবং যৌথ ভাবে ২০, ১৫৭, ১৫৬, ১৫৯, ৬০৬, ১০৫৮ নং খতিয়ান, ছৈয়দ আহমদের অপর পুত্র বদিউল আলমের নামে একক ভাবে ৭৮৩ নং খতিয়ান ও যৌথ ভাবে ২০, ১৫৭, ১৫৯, ৬০৬, ১০৫৮ নং খতিয়ান এবং অন্যান্য পুত্র কন্যা গনের নামে একক ও যৌথভাবে অন্যান্য বি,এস, খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার হয়। ছৈয়দ আহমদ এর পুত্র ফজল আহমদ বি,এস,৭০৯ নং খতিয়ানের জমিতে ভোগ দখলে থাকাবস্থায় মৃত্যু বরণ করলে তৎ স্বত্ত্ব ৩ পুত্র ৪ কন্যা ( যথাক্রমে… ১। মুজাম্মেল হক ২। ছৈয়দ নুর ৩। নুরুল হক ) ৪ কন্যা ( যথাক্রমে… ১। মরিয়াম বেগম ২। শিরিন আক্তার ৩। শামশুন্নাহার ৪। আসিয়া খাতুন ) প্রাপ্ত হয়। উক্ত ওয়ারিশগনের মধ্যে মুজাম্মেল হক, মরিয়াম বেগম, শিরিন আক্তার, শামশুন্নাহার এবং ছৈয়দ নুরের ওয়ারিশগন হইতে বিগত ০৮/০৫/২০১৬ইং তারিখে ১৭৯২ নং দলিল মূলে বি,এস, ৭০৯ খতিয়ানের বি,এস, ৪১২৪ দাগের আন্দর ৩০ শতক এবং বি,এস, ৪১১৯ দাগের সম্পূর্ণ ১২ শতক মোট ৪২ শতক জমি পৃথক চৌহদ্দি উল্লেখ পূর্বক ঘেরা বেড়া দিয়া গাছ-গাছালী রোপণ করে টিউবওয়েল স্থাপন সহ পাহারা ঘর নির্মাণ করে উক্ত জমিতে সকলের জ্ঞাতসারে শান্তিপূর্ণ ভাবে আমি ভোগ দখলে আছি। এবং আমার নামে বি,এস, ২৬৬২ নং খতিয়ান প্রচার আছে। এবং তদানুসারে নিয়মিত খাজনাও আদায় করে আসছি।

প্রিয় আপামর জনসাধারণ…….
ছৈয়দ আহমদের পুত্র বদিউল আলমের ওয়ারিশ ( জনাবা সাজেদা বেগম ) তাহার পিতার নামীয় বি,এস, ৭৮৩, ২০, ১৫৭, ৬০৬, ১৫৯, ১০৫৮ নং খতিয়ান হইতে তাহার প্রাপ্ত সম্পূর্ণ ২৪.৭৯ শতক জমি নিয়া নিজ নামে বি,এস, ২৬২৯ নং খতিয়ান সৃজন করেন।
এতদসত্বেও সাজেদা বেগম তাহার পিতা ও নিজ নামের খতিয়ান আড়াল করে আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে যুগ্ম জেলা জজ(১ম) আদালত কক্সবাজারে অপর ১৮৯/২০১৬ নং মামলা দায়ের করে আমার মালিকানাধীন বি,এস, ৪১২৪ নং দাগের জমি সাজেদা বেগম ও তার ছেলে মেয়ে সহ সন্ত্রাসী লোকজন ভাড়া করে জোরপূর্বক ভাবে জবরদখলের জন্য সশস্ত্র হামলা চালিয়ে গাছ-গাছালী কর্তন ও ঘেরাবেড়া ভাংচুর করিলে তৎবিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিগত ০৪/০৪/২০১৯ইং তারিখে আমি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তৎক্ষণাৎ কক্সবাজার সদর মডেল থানার পক্ষথেকে বাদী বিবাদী উভয় কে সমস্ত কাগজপত্র সহ গত ১০/০৪/২০১৯ইং তারিখে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান পূর্বক নোটিশ জারি করলে ( আমার ছোট ভাই আবদুর রহিম কে যাবতীয় দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ব্যবসায়িক কারনে সৌদিয়া চলে আসলে সে সুযোগে সাজেদা বেগম গং তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাড়াকৃত সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিগত ১৭/০৪/২০১৯ইং তারিখে পূনরায় আমার ভাড়াটিয়াকে ব্যাপক হারে মারধর করে এবং ঘেরাবেড়া সহ ভাড়া ঘর ভাংচুর করে। পরবর্তীকালে আমার উক্ত জমি জবরদখলের ব্যাপক অপচেষ্টা চালায়। এ বিষয়ে আমার ছোট ভাই আবদুর রহিম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এজহার দায়ের করলে থানা মামলা নং ৬৬/১৭.০৪.১৯ হিসেবে রুজু করেন। অন্যদিকে সাজেদা বেগম গং উক্ত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে আমি এবং আমার পরিবারকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন এজেন্সি,সংবাদ মাধ্যম, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কে জঘন্য মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আসছে। এবং আমাকে ও আমার পরিবারকে হেয় করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
তাই, প্রিয় গনমাধ্যমকর্মী ভাই ও বন্ধুগন এবং কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনারা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রক্ষার স্বার্থে এবং বাহিরের তৃতীয় কুচক্রী স্বার্থন্বেষী মহল যাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে আমাদের কারো ঘাড়ে বসে ফায়দা লুটাতে না পারে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে নির্ভুলভাবে ঘটনার সঠিক ও সত্যতা যাচাই করে উভয়ের মধ্যস্থতায় সঠিক সমাধানে এগিয়ে আসার জন্য আমার প্রিয় খরুলিয়াবাসী আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানাচ্ছ