খরুলিয়ায় আলোচিত জমি বিরোধের ঘটনায় ফের প্রবাসীর জমি দখলের পায়তারা

0000-2.gif

জেলা প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের খরুলিয়ায় সেই আলোচিত জমি বিরোধের ঘটনায় দ্বিতীয় বারের মতো ফের প্রবাসী শফিকের খালি জমি রাতের আধারে দখলের পায়তারা করছে একটি প্রভাবশালী মহল। উক্ত জমিকে কেন্দ্র করে গেল ২০১৬ সালের দিকে সাজেদা বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার সর্বশেষ তদন্ত রির্পোটেও তাদের জমি নেই বলে উল্লেখ্য করা আছে বলে জানান প্রবাসী শফিক।তারা আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানছে না। সাজেদা বেগম তার ছেলে আসাব উদ্দিন ভাড়াটে লোকজন এনে বারংবার খালি জমিতে দখলপূর্বক টিনের তৈরী অস্থায়ী বসতঘর নির্মানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় গণমাধ্যম কর্মীদের মিথ্যা তথ্য ও ভিডিও করে অসহায় পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে মর্মে নাটকীয় ঘটনা সৃষ্টি করে যাচ্ছে। এদিকে সাজেদা বেগম জানান এই জমি আমার বাবা আমাকে দিয়েছেন, এটি শফিকের কিভাবে হয়? আমি শফিককে জমি বিক্রি করিনাই,তার পরেও আমাকে আমার মেয়েকে আমার পৈত্রিক ভিটা থেকে বিতাড়িত করতে চায়। আমরা তা হতে দিব না। এদিকে সাজেদা ভাই রফিকুল ইসলাম জানান শফিক যদি আমার ভাইবোনদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করে থাকে তবে ততটুকু জমি সে পাবে কিন্তু এখন তার চেয়ে বেশি জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার বোন সাজেদা আদালতে মামলা করে নিষেধাজ্ঞা এনেছে যেন তারা জমিতে আসতে না পারে। তার পরে ও আমাদের হয়রানি করছে। এদিকে গত ১০ মে শুক্রবারে উভয়  পক্ষের     জমি দখলের  ঘটনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মুক্তার ও স্থানীয় চেয়ানম্যান টিপু সুলতানসহ উপস্থিত হন। এসময় ওই জমিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মানের কাজ না করতে নির্দেশ দেন। এবিষয়ে প্রবাসী শফিকের ভাই আবদু রহিম জানান,  ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমার ভাই প্রবাসী শফিক বাংলাদেশে না থাকায় সদর থানায় অবহিত করলে এসআই আরিফ উল্লাহ নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে জমি দখলের বিরুদ্ধে ১৭ এপ্রিল সদর থানায় মামলা দায়ের করি। মামলায় সাজেদা ও তার মেয়ে সাজিয়া পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তারা জেল থেকে বের হয়ে গত ২২ এপ্রিল ফের আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। বার বার একই খালি জায়গায় আহতের নাটক দেখিয়ে একাধিক মামলার হুমকি দিয়ে আসছে তারা। তাই প্রশাসনের প্রতি শান্তিময় দৃষ্টিকামনা করেছেন এলাকাবাসীরা।