খরুলিয়ায় আলোচিত জমি সংক্রান্ত ঘটনার আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফের জমি ঘেরাও করছে সাজেদা বেগম

v.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খরুলিয়ার সাজেদা বেগম ও তার ছেলে মেয়েদের ব্যবহার করে প্রবাসী শফিকের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,জানা যায় শুক্রবার (১০মে) সকালে সাজেদা বেগম সহ তার ছেলে আসাব উদ্দিন ও জোয়ান মেয়েদের ব্যবহার করে আদালতের নিষেধ অমান্য করে ঘেরা দিতে দেখা যায়। এ নিয়ে এলাকায় আবারো বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছে  এলাকাবাসী। এলাকাবাসী ওবিভিন্ন সুত্রে জানা যায় গত২০১৬ সালে ফজল আহমদ গং থেকে কয়েক দফায় তাদের দখলীয় জমি ক্রয় করে খরুলিয়ার আবু বক্কর ছিদ্দিক এর প্রবাসী পুত্র শফিকুল ইসলাম। এবং ফজল আহমদ এর ওয়ারিশ গন প্রবাসী শফিককে দখল বুঝিয়ে দেন, এর পর থেকে শফিক অত্র জমি গুলো ভোগ দখলে আছেন। কিন্তু সম্প্রতি আবু বক্কর এর স্ত্রী সাজেদা বেগম ও তার জোয়ান ছেলে মেয়েরা জোর করে ঐ জমি জবর দখল করার জন্য গত ১৭ এপ্রিল শফিকের জায়গায় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে তার ভাড়াটিয়া সাথীকে মেরে আহত করে এবং ফলজ গাছ কেটে ফেলেন। এদিকে শফিকের ছোট ভাই রহিম জানান বড়ভাই শফিকের জায়গায় তারা গত ৪এপ্রিল থেকে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে হামলা চালায়।তখন বড়ভাই শফিক কক্সবাজার সদর থানায় অভিযোগ করেন সদর থানা অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের নোটিশ দেন গত ১০ এপ্রিল থানায় উপস্থিত হয়ে কাগজ পত্র দেখানোর জন্য, সাজেদা বেগম তা অমান্য করে গত ১৭ এপ্রিল তার ছেলে আসাব উদ্দিনও জোয়ান মেয়েদের নিয়ে আরো কয়েকজনকে মিলে আবারো শফিকের জায়গা দখলের জন্য হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন। হামলার খবর জানতে পেরে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আবু বক্কর এর স্ত্রী ও তার ছেলে আসাব উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন হামলা চলা কালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজন নারীকে গ্রেফতার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২এপ্রিল প্রবাসী
শফিকুল ইসলাম তার ছোট ভাই রহিম, আরো নিকট আত্মীয়দের আসামী করে হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করেন কক্সবাজার সদর থানায়। এদিকে ভুক্তভোগী প্রবাসী শফিকুল ইসলাম সাথে টেলিফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি বিএস ৭০৯ খতিয়ানে মোট আটজন ওয়ারিশ সে খতিয়ান থেকে আমাকে সাতজন ওয়ারিশ জমি বিক্রয় করে মোট ৪২ শতক। যা আমার নামে বিএস খতিয়ান সৃজন হয়েছে। এবং ক্রয়ের পর থেকে আমাকে জমি ভোগদখল বুঝিয়ে দেন। আমি জমি কেনার পর থেকে আবু বক্কর এর ছেলে আসাব উদ্দিন ও তার মা সাজেদা বেগম তারা জমি পাবেন বলে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতো। পরবর্তীতে তাদের লোভ পড়ে জমির উপর এরই ভিত্তিতে গত ৪এপ্রিল থেকে সাজেদা বেগম ও তার ছেলে মেয়েরা জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। আমি তা কক্সবাজার সদর থানা পুলিশকে অবগত করলে তারা আরো ক্ষেপে গিয়ে ভিন্ন পন্থায় অামাকে উল্টো আমার নিজ জমি জবর দখল করছি বলে থানায় আমাকে সহ আমার ছোট ভাই, চাচা, নিকট আত্মীয়দের আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান আমি একজন প্রবাসী আমি প্রবাসে থেকে সরকারকে নিয়মিত রেমিটেন্স দিয়ে আসছি, আমাকে মানহানী করনে এসব মামলা করছে এবং আমার খরিদকৃত জায়গা তারা জোরপূর্বক দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো সুষ্ট তদন্ত পূর্বক জমির দলিলাদি দেখে যারা অন্যায় করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনোর অনুরোধ করছি। এদিকে শুক্রবার আবারো আদালতের নিষেদ অমান্য করে কাজ করছে সাজেদা বেগম ওতার সহযোগীরা এব্যাপারে জানতে চাইলে মুহাম্মদ শাহরিয়ার মুক্তার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান আমি জানতে পেরেছি ওখানে সাজেদা বেগম ওতার ছেলেরা কাজ করছে ,আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কাজ করা বন্ধ করতে আদেশ দিয়েছি,যেহেতু আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে ।এদিকে কক্সবাজার মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন খন্দকার এর সাথে টেলিফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ।