খরুলিয়ার জমি সংক্রান্ত দায়েরকৃত মামলার সুষ্ট তদন্তে এএসপির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

.jpg

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গত কয়েক দিন সর্বত্র ব্যাপকভাবে আলোচিত খরুলিয়ার মাস্টার পাড়ার আবু বক্কর পরিবার প্রবাসী শফিকের সাথে  খরুলিয়ার জমি সংক্রান্ত দায়েরকৃত মামলার সুষ্ট তদন্তে এএসপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনও সাথে চলমান মামলার ঘটনায় শুভ উদ্যোগ নিয়েছেন কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন। তিনি ঘটনার সুষ্ট তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন পুলিশের উর্ধ্বতন দল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি রোববার বিকাল ৩টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় আরো ছিলেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুজ্জামান।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত খোঁজ নেন। ভুক্তভোগী শফিকের পরিবারসহ দু’পক্ষ প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছেন। জমি নিয়ে বিরোধের এই ঘটনার প্রশমনের জন্য আপাতত দু’পক্ষকে স্থিতিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন । সমস্যাটি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাধ্যমে মীমাংস করার নির্দেশ তিনি। । এসময় ঝিলংজা ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান ও সংবাদকর্মী ইমরুল কায়েস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, খরুলিয়া মৌজার আর.এস. খতিয়ান নং-১২৪৪, আর.এস দাগ নং-৩১১১, দাগের ২৯ (ঊনত্রিশ) শতক সহ আরো বেশকিছু জমি ক্রয় করেন প্রবাসী শফিুকল ইসলাম , এরই ধারাবাহিকতায় আবু বক্কর এর পরিবার ও তার ছেলে আসাব উদ্দিন ওয়ারিশ বলে ২০১৭ সাল থেকে প্রবাসী শফিকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা আদায় করে ।পরিবর্তিতে আবু বক্কর এর পরিবার প্রতিনিয়ত টাকা চাইলে ২০১৭ সালে কক্সবাজার সদর কোর্টে জমি বিরোধ নিয়ে মামলা হয় যার নং জি আর ১২৭/১৭ যা আজো চলমান রয়েছে। এবং ঐ জমিতে আদালত কতৃক নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও আবু বক্কর এর পরিবার ও তার ছেলে আসাব উদ্দিন গায়ের জোরে তা দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে অভিযোগে জানা যায় ।আবু বক্কর এর নিজ জোয়ান মেয়েদেরকে ব্যবহার করে প্রবাসী শফিকের মানহানি করতে ও নানা ধরনের হয়রানি করার জন্য নারী নিযাতন মামলা সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকী দিয়ে আসছে বলে জানান।আরো জানা যায় আবু বক্কর ও তার ছেলে আসাব উদ্দিনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দেখে গত ৪এপ্রিল শফিকুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ করে কক্সবাজার সদর থানায়।কক্সবাজার সদর থানা অভিযোগটি আমলে নিয়ে দুপক্ষের সাথে কথা বলতে গত ১০ এপ্রিল বিকাল চারটায় থানায় আবু বক্কর ও তার সহযোগীদের নোটিশ দিয়ে ডাকলেও তারা সে কথার অমান্য করে প্রবাসি শফিকুল ইসলাম জায়গা দখলের অপচেষ্টা চালিয়েছে আসছিল এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭এপ্রিল আবু বক্কর ও তার ছেলে আবাস উদ্দিনের সহযোগী সহ শফিকের জায়গায় তান্ডবও চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ফলজও বনজ গাছ কেটে ফেলে বলে জানা যায়।
এহেন সন্ত্রাসী করে জমি দখলের চেষ্টা করলে প্রবাসি শফিকুল ইসলামের ভাই আবদুর রহিম পিতা আবু বক্কর ছিদ্দিক ঘাট পাড়া খরুলিয়া বাদী হয়ে গত ১৭ এপ্রিল আবাস উদ্দিন (২৫) পিতা আবু বক্কর সাং মাষ্টার বাড়ি খরুলিয়া,রফিকুল ইসলাম (৪৫) পিতা মৃত বদিউল আলমমুন্সীরবিল খরুলিয়া আবু বক্কর (৫০) পিতাআবদুল হাসিম, খরুলিয়া, সাজেদা বেগম( ৪২) স্বামী আবু বক্কর সাং মাষ্টারবাড়ি, খরুলিয়া, সাবেকুন্নাহার (২১) পিতা আবু বক্কর সাংঐ সাদিয়া আক্তার (২৩) পিতা আবু বক্কর সাং ঐ লুৎফা আক্তার( ২০) পিতা আবু বক্কর সাং ঐ আসামী করে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করে যার মামলা নং৮৯/১৯ এদিকে শফিকের ছোট ভাই আবদুর রহিম জানান আমার বড়ভাই দেশে না থাকার সুযোগ নিয়ে তার ক্রয়কৃত জায়গা দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন এই পরিবার এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এহেন চালিয়ে আসছে। তাদের প্রতিহত করতে আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি আশা করি আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সঠিক সময়ে তাদের আইনের আওতায় আনবেন। এদিকে প্রবাসি শফিকুল ইসলাম জানান আবু বক্কর এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন এমনও নজির আছে অস্ত্র সহ পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন এবং তার কয়েকটা অস্ত্র মামলা ও সে আমলে ছিল। তার অতীত সন্ত্রাসী জীবন এখন আবারো জোয়ান ছেলে আবাস উদ্দিন ও তার মেয়েদের কে দিয়ে চালানো চেষ্টা করছে সে সহ তার ছেলে মেয়েদের ব্যবহার করে আমার কেনা জমি দখল করতে নেমেছে এবং গত ১৭ এপ্রিল আমার বাড়ির যে ক্ষয়ক্ষতি করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

কর্তন কৃত ফলজ গাছ

তিনি আরো বলেন আমি একজন প্রবাসী আমাকে সমাজে সম্মানহানি করতে তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যাচ্ছে আমাকে প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে, আবু বক্কর তার মেয়েদের দিয়ে নারী নির্যাতন মামলা করবে বলে হুমকী দেন। এদিকে আবু বক্কর এর ছেলে আসাব উদ্দিন আমাকে দেশে গেলে প্রানে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে আসছে। তাই আমার হয়ে আমার ছোট ভাই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে,আশা করি তাদের গ্রেফতার পূর্বক এই সমস্যার সমাধান হবে।
এলাকাবাসি জানান আবু বক্কর ও তার ছেলে মেয়েরা মিলে শফিকের জমি দখল করতে চাচ্ছে এবং এর পেছনে কিছু কুচক্রী মহল কাজ করছে যাতে তাদের ঘটনা মীমাংসা না হয় এবংগনমাধ্যমে শফিকের বিরোদ্ধে যা প্রচার কার হচ্ছে তা মানহানিকর সে কোন ভুমিদূস্যু নয় । প্রশাসন চাইলে সঠিক বিচার করে শফিকের জমি দখলবাজদের হাত থেকে বাঁচাতে পারে বলে মনে করেন।