সদর হাসপাতাল কর্তৃক টুলুসহ অন্যান্য মৎস্ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানবন্ধন

Cox-11.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ডাক্তার কর্তৃক ভুল চিকিৎসায় আনোয়ার নামের এক মৎস্ ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নেক্কারজনকভাবে রোগির অভিভাবক ও কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অন্যায়ভাবে মামলা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া মোহাম্মদ উপরপে মেক্স নামে আরেকজন রোগির অভিভাবককেও নির্লিপ্তভাবে জেল দেয়। এরই প্রতিবাদে ক্কক্সবাজার মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওসমান গণি টুলু ও অন্যান্যাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যহারের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরের দিকে কক্সবাজার কোট চত্ত¡রে এ সমাবেশ হয়েছে। মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে হাজার হাজার নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভা সঞ্চলনা করেন, জানে আলম পুতু।

এসময় ভিক্ষোদ্ধরা বলেন, বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এক নরগে পরিণত হয়েছে। চিকিৎসেবাতো দুরের কথা, পান থেকে চুন খসলে ইর্ন্টান ডাক্তার ও হাসপাতালের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাজ থেকে লাঞ্চিত থেকে শুরু করে রোগির অভিভাবকে মিথ্যা মামলার শিকার হতে হচ্ছে। জীবিত অবস্থায় হাসপাতালে গিয়ে মৃত্যুযাত্রী হয়ে ফিরতে হচ্ছে। অতিবিলম্বে জামায়াত নেতা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার, তত্ত্ববধায়ক থেকে শুরু করে আরো কয়েকজনকে দ্রুত প্রত্যহার করার দাবী জানাচ্ছি। কারণ তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্দনে এসব অপ্রিতিকর ঘটনা হরহামশায় ঘটছে।

এসময় বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন কক্সবাজার জেলার বোট মালিক সমিতির সভাপতি পৌরমেয়র মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, কক্সাবাজার সদর হাসপাতালকে নিয়ে আপনারা অনেকছিনি খেলেছেন। এটা আর করতে দেওয়া হবে না। ভবিষ্যৎ যদি আবারো এরকম অমানবিক আচারণ করনে তাহলে আপনাদের কক্সবাজার থেকে বিতারিত করা হবে। অনেক হয়েছে, আমাদের ধৈর্যের সিমা শেষ হয়েগেছে। তাই স্পষ্ট করে বলে রাখছি “ডাক্তারি করুন, গাদ্দারি করবেন না। যদি তা করেন, তাহলে পরিণতি ক্ষোভ খারাপ হবে।
এসময় কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর ও কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি কমরেড গিয়াস উদ্দিন বলেন, কিছু জামায়াত শিবিরের কুলঙ্গার উর্ধ্বতন দায়িত্বে রয়েছে। সরকারের স্বাস্থসেবায় অভাবনীয় সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষে ইন্টার্নি ডাক্তার নামের মাস্তানদের দিয়ে এসব ঘটনা সংঘটিত করেছে। হাসপাতালে সাধারণ রেগি, অভিভাবক, সাংবাদিক, এডভোকেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন নাজাহাল ও লাঞ্চিত হয় প্রায়স। আমরা ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার সাথে ইন্দনদাতাদের বের করে করে আনার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবী জানাচ্ছি। এছাড়া হাসপাতালের কোন কর্মচারী না, কিন্তু তারা হাসপাতালের বড় কর্তা। এসব বহিরাগত দালাল সিন্ডিকেটকেও হাসপাতাল মুক্ত করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর জেলা সভাপতি বীর মুুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, কক্সবাজার মৎস ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক সাওদাগর, কোষাদক্ষ মোস্তাক আহমেদ ভুট্টো, সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদিন, সমবায়-সমিতির সভাপতি আব্দুল­াহ আল-মাসুদ আজাদ, এড: রিদুয়ান আলী, সদস্য নাছির উদ্দিন বাচ্চু, মোহাম্মদ আরিফ, রমজান আলী, বোট মালিক কামাল উদ্দিন, রশিদ সাওদাগর, মোহাম্মদ হানিফ, আমির হোসেন সাওদাগর, এরশাদ উল­াহ সওদাগর মুফিজুর রহমান, আবুল কালাম সওদাগর, মো: ছিদ্দিকসহ একাত্না প্রকাশ করেন বোট মালিক, শ্রমিক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।