কক্সবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

Cox-DC-2.jpg

ওয়ান নিউজঃ বাঙ্গালীর জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস কক্সবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য পালিত হচ্ছে। এর আগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে “প্রতিকী ব্ল্যাক আউট ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ৪৮তম দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদর্শনের মধ্যে মহান স্বাধীনতার উদযাপন কর্মসূচী শুরু হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি-বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা দিবস পালন করছেন। সবাই শোক ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে অবনতচিত্তে স্বাধীনতার জন্য আত্মৎসর্গকারী বীর শহীদদের সম্মান জানাচ্ছে।

জানা গেছে, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার এবিএম হোসেনের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ, জেলা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে জেলা মুক্তিযোদ্ধ কমান্ড, সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ, মেয়র মুজিবুর রহমানে নেতৃত্বে কক্সবাজার পৌরসভা।

এছাড়াও কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগ, জেলা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এসময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ সমবেত হন।

পরে সকাল ৮ টায় কক্সবাজারের বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। যেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও পুলিশ-আনসার সদস্যরা অংশ নেন। কুচকাওয়াজ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- কানিজ ফাতেমা মোস্তাক এমপি, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ আরো অনেক । পরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নানা ঢংয়ের অসাধারণ ডিসপ্লে হয়।

এছাড়া এ উপলক্ষে জেলাব্যাপী আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে বিয়াম অডিটোরিয়ামে “বীর মুক্তিযোদ্ধা,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগনের সংবধর্না অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।