মাদরাসার ছাত্রীদের রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যবহার, ক্ষুব্দ অভিভাবক সমাবেশ মাদরাসার ছাত্রীদের রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যবহার, ক্ষুব্দ অভিভাবক সমাবেশ

received_1239327392897787.jpeg

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে। সাবেক জামাত নেতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ নুরীর স্বেচ্ছাচারীতামূলক কাজে ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাজ।
মূলতঃ অধ্যক্ষ নুরী ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে ছাত্রীদের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যবহার করেন বলে স্থানীয়দের অভিমত। তার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঝে দ্বীনি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
গত ১২ মার্চ বিকালে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে (শহীদ দৌলত) একটি রাজনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। ওই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক নেতাকর্মী উপস্থিত থাকলেও সংবর্ধনা মঞ্চের সামনের অংশজুড়ে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিলো ইসলামিয়া মহিলা কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসার ছাত্রীরা।
একটি রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য সমাবেশে বোরকা পরিহিত ছাত্রীদের উপস্থিতির বিষয়টি অভিভাবকদের নজরে আসে। এতে অভিভাবকরা চটেছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জাফর উল্লাহ নুরীর বিরুদ্ধে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে এক অভিভাবক বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন ছিল। এতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েরা না যাওয়ায় একদিকে যেমন বেমানান ছিল। অন্যদিকে মেয়েরা ইভটিজারের শিকার হয়েছে শুধু অধ্যক্ষ নুরীর কারণে।
নাম গোপন রাখার শর্তে এক ছাত্রী বলেন, অধ্যক্ষ হুজুরের নিদের্শে মাদ্রাসা থেকে সারিবদ্ধ করে আমাদেরকে হাটিয়ে সংবর্ধনায় নেয়া হয়েছে। অনেকে যেতে না চাইলেও বাধ্য করেছে অধ্যক্ষ।
আবুল কালাম নামের এক অভিভাবক বলেন, জাফর উল্লাহ নুরী জামায়াতের সক্রিয় লোক। এখন ব্যক্তিগত সুবিধার নেয়ার জন্য ছাত্রীদের যেখানে সেখানে পাঠান।
তিনি বলেন, আমরা সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষার জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছি। রাজনৈতিক সমাবেশে পাঠানোর জন্য দিইনি। কিন্তু জাফর উল্লাহ নুরী প্রায় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে কোমলমতি ছাত্রীদের ডালপালা হিসেবে ব্যবহার করছে। যা অন্য কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে না।
বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে সংবর্ধনার প্রয়োজন হলে মাদ্রাসায় এনে দিতো, তাতে কারো আপত্তি থাকত না। সম্মান বৃদ্ধি হত সংবর্ধিত ব্যক্তির। সমালোচনা হতো না মাদরাসার।
সংবর্ধিত কানিজ ফাতেমা সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের নারী সদস্য হন। তিনি মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি।
এবিষয়ে অধ্যক্ষ জাফর উল্লাহ নুরীর কাছে জানতে চাইলে প্রতিবেদককে বলেন, আরো বেশি করে লিখেন অভিভাবকরা যাতে বেশি করে ক্ষুব্ধ হয়। আপনাদের লিখনিতে কি আসে যায়?
এব্যাপারে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিসার সালেহ উদ্দিন চৌধুরীর সাথে কথা হলেন বলেন, রাজনৈতিক কোনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের পোশাক পড়ে শিক্ষার্থীদের পাঠানোর নিয়ম নেই।তিনি (জাফর উল্লাহ নুরী) যদি মাদ্রাসার ছাত্রীদের পাঠিয়ে থাকেন এটা অন্যায় হয়েছে।
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে। সাবেক জামাত নেতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ নুরীর স্বেচ্ছাচারীতামূলক কাজে ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাজ।
মূলতঃ অধ্যক্ষ নুরী ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে ছাত্রীদের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যবহার করেন বলে স্থানীয়দের অভিমত। তার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঝে দ্বীনি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
গত ১২ মার্চ বিকালে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে (শহীদ দৌলত) একটি রাজনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। ওই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক নেতাকর্মী উপস্থিত থাকলেও সংবর্ধনা মঞ্চের সামনের অংশজুড়ে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিলো ইসলামিয়া মহিলা কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসার ছাত্রীরা।
একটি রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য সমাবেশে বোরকা পরিহিত ছাত্রীদের উপস্থিতির বিষয়টি অভিভাবকদের নজরে আসে। এতে অভিভাবকরা চটেছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জাফর উল্লাহ নুরীর বিরুদ্ধে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে এক অভিভাবক বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন ছিল। এতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েরা না যাওয়ায় একদিকে যেমন বেমানান ছিল। অন্যদিকে মেয়েরা ইভটিজারের শিকার হয়েছে শুধু অধ্যক্ষ নুরীর কারণে।
নাম গোপন রাখার শর্তে এক ছাত্রী বলেন, অধ্যক্ষ হুজুরের নিদের্শে মাদ্রাসা থেকে সারিবদ্ধ করে আমাদেরকে হাটিয়ে সংবর্ধনায় নেয়া হয়েছে। অনেকে যেতে না চাইলেও বাধ্য করেছে অধ্যক্ষ।
আবুল কালাম নামের এক অভিভাবক বলেন, জাফর উল্লাহ নুরী জামায়াতের সক্রিয় লোক। এখন ব্যক্তিগত সুবিধার নেয়ার জন্য ছাত্রীদের যেখানে সেখানে পাঠান।
তিনি বলেন, আমরা সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষার জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছি। রাজনৈতিক সমাবেশে পাঠানোর জন্য দিইনি। কিন্তু জাফর উল্লাহ নুরী প্রায় রাজনৈতিক কর্মকান্ডে কোমলমতি ছাত্রীদের ডালপালা হিসেবে ব্যবহার করছে। যা অন্য কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে না।
বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে সংবর্ধনার প্রয়োজন হলে মাদ্রাসায় এনে দিতো, তাতে কারো আপত্তি থাকত না। সম্মান বৃদ্ধি হত সংবর্ধিত ব্যক্তির। সমালোচনা হতো না মাদরাসার।
সংবর্ধিত কানিজ ফাতেমা সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের নারী সদস্য হন। তিনি মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি।
এবিষয়ে অধ্যক্ষ জাফর উল্লাহ নুরীর কাছে জানতে চাইলে প্রতিবেদককে বলেন, আরো বেশি করে লিখেন অভিভাবকরা যাতে বেশি করে ক্ষুব্ধ হয়। আপনাদের লিখনিতে কি আসে যায়?
এব্যাপারে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিসার সালেহ উদ্দিন চৌধুরীর সাথে কথা হলেন বলেন, রাজনৈতিক কোনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের পোশাক পড়ে শিক্ষার্থীদের পাঠানোর নিয়ম নেই।তিনি (জাফর উল্লাহ নুরী) যদি মাদ্রাসার ছাত্রীদের পাঠিয়ে থাকেন এটা অন্যায় হয়েছে।