আয়েরা বেগমকে দিয়ে রফিক  সিন্ডিকেটের  রমরমা অবৈধ  ব্যবসা 

a-6.jpg
নিজস্ব প্রতিবেদক
আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি বলে  আমাকে পথ থেকে সরাতে অন্যায় ভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে প্রকৃত পক্ষে আয়েরা বেগমকে দিয়ে রফিক  সিন্ডিকেটের  রমরমা অবৈধ  ব্যবসা  করে যাচ্ছে।পূর্ব কুতুবদিয়াপাড়া সহ কক্সবাজার কলাতলী এলাকায়। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে  মোঃ  হোসেন প্রকাশ হোসেন বৈদ্য,  মোঃ রফিক  প্রকাশ ইয়াবা রফিক, ও মোঃ আবছার এর  প্ররোচনায় আযেরা বেগম আমাকে ও আমার স্বামীকে আসামী করে মামলা করেছে,  তারা তিনজনই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত।  কথা গুলো বলছিলেন সদ্য কারা নির্যাতিত মানবাধিকার কর্মী  পূর্ব  কুতুবদিয়া পাড়ার ইলিয়াসের স্ত্রী রোজিনা আক্তার।  তিনি আরো অভিযোগ করেন হোসেন বৈদ্য আগে সমুদ্রে জলদস্যু ছিলেন সাগরে মাছ ধরার নাম দিয়ে ডাকাতি করতো,  সেখান থেকে গুপ্তধনের বৈদ্য হয়ে এলাকার কিছু  মানুষকে গুপ্তধনের লোব দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত।  এখন বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে যদি আমিন প্রয়োগকারী সংস্থা একটু তদন্ত  করেন তবে সব তথ্য বের হয়ে আসবে।  এদিকে রফিক এর ব্যাপারে রোজিনা আক্তার বলেন রফিক বের মা বাসা বাড়িতে কাজ করতো বেশিদিন হয়নি এখন রফিক লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক কিভাবে হলো? রোজিনা বলেন এর মূলে ইয়াবা।
জানা যায় গত ৬ ফ্রেরুয়ারী পক্ষে মোঃ  হোসেন প্রকাশ হোসেন বৈদ্য,  মোঃ রফিক  প্রকাশ ইয়াবা রফিক, ও মোঃ আবছার এর দল বর নিয়ে পূর্ব কুতুবদিয়া পাড়া রোজিনা আক্তারের বাড়িতে হামলা করে,  এবং হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ৭ ফ্রেরুয়ারী কক্সবাজার কোর্ট বিল্ডিং চত্তরে মানববন্ধন করে কুতুবদিয়া পাড়ার এলাকাবাসি।
অপরদিকে হামলার অভিযোগের একজন আবছার এর বোন আয়েরা বেগমকে দিয়ে হামলার দিন গত ৬ ফ্রেরুয়ারী পাল্টা রোজিনা সহ তার স্বামী ইলিয়াসকে আসামী করে মামলা দায়ের করে যার মামলা নং মামলা নং-২৯/১৪৯। এ মামলায় এজাহারভুক্ত ৫ আসামির মধ্যে রোজিনা ৩ নম্বর আসামি।গত  ৭ ফ্রেরুয়ারী রোজিনা আক্তারকে গ্রেফতার করে কক্সবাজার থানা পুলিশ।  এবং১০ ফ্রেরুয়ারী জামিনে বেরিয়ে  আসে।  এদিকে রোজিনা আক্তারের স্বামী জানান আয়েরা বেগম আমাকে ও আমার স্ত্রীকে আসামী করে মামলা করেছে তার একটাই কারন এই আয়েরা বেগম তার আপন ভাই রফিক বের সাথে মিলে  ইয়াবা ব্যবসা সহ পতিতা ব্যবসা করে আসছে কিছুদিন আগে কলাতলী জোন থেকে তাকে হাতে নাতে ধরে এলাকাবাসী এবং এর নেতৃত্বে ছিল আমার স্ত্রী রোজিনা,  সেদিন এলাকার কিছু  যুবতী মেয়েদেরকে হোটেল থেকে উদ্ধার করে রোজিনা সহ এলাকাবাসী,
এর পর থেকে রোজিনার উপর ক্ষেপে যান আয়েরা বেগম ও তার আপন ভাই  সহ কুচক্রী মহল। ইলিয়াস আরো বলেন যখন কলাতলভ এলাকায় এলাকাবাসী গিয়ে আয়েরা বেগমকে হস্তে নাতে ধরে তার ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে আছে যা প্রয়োজনে আইনের কাছে হস্তান্তর করবো।
রোজিনা আক্তার বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল কক্সবাজার সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা।