কচ্ছপিয়ায় বন বিভাগের জমি থেকে নির্মাণাধীন ২টি দালান ঘর উচ্ছেদ

received_2245902105698779.jpeg

 

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে বন বিভাগের জমি দখলে নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে মনের মতো অবৈধ দালান ঘর। এর দেখাদেখি স্থানীয় অনেকে আরও বনভূমি দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। উজাড় করছে বনের গাছপালা। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে। পরিবেশের এই বিপন্নতা নিয়ে বন বিভাগ একেবারেই উদাসীন।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাঁকখালী রেঞ্জের আওতাধিন কচ্ছপিয়ার নতুন তিতারপাড়ার মুরারপাড়ায় বনভূমির দখলকৃত বিশাল জায়গায় চারকক্ষ বিশিষ্ট দালান ঘর নির্মাণের কাজ চলছে।

জানতে চাইলে দালান ঘর নির্মাণ কাজের শ্রমিক আমির হামজা বলেন- স্থানীয় ব্যবসায়ী নজির হোসেন এই দালান ঘর নির্মাণ করছেন। গত দুই মাস ধরে বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে। নজির হোসেন ওই এলাকার মৃত আশু আলীর ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ- গ্রামের কতিপয় প্রভাবশালীদের মদদে অবৈধ এই ঘর নির্মাণ হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নজির হোসেন বলেন, বনভূমির জায়গা সেটা ঠিক আছে। তবে স্থানীয় মিয়ার (বনবিট কর্মকর্তা) সঙ্গে কথা বলেই ঘরটি তৈরী করা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন স্থানীয় মৌলভিকাটা বনবিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তিনি বলেন- বনভূমির বিষয়ে কোন ছাড় নেই। এই ঘর উচ্ছেদে অভিযান চলবে।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাকখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আতা এলাহী বলেন- ‘রামুতে বনভূমিতে তৈরী করা দালান ঘর উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাইস্কুল পাড়া ও কমলা পাড়ার বনভূমি থেকে দুটি সেমিপাকা ২টি দালান ঘর ও একটি মুরগির খামার উচ্ছেদ করা হয়েছে। বন বিভাগের জায়গায় নির্মাণ করা বাকি ঘর গুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।’