আপডেটঃ
শহরে দুর্বৃত্তের হাতে অন্তঃসত্ত্বাসহ ৯ নারী আহতইছানগরের আলোচিত সেই ভবন মালিকের আত্মসমর্পণস্থানীয়দের মাঝে বহাল তবিয়তে অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গার বসবাস!আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মসমর্পণ করুন -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালরোহিঙ্গ্যা মানবিক সংকটে জাতিসংঘের ৯২০মিলিয়ন ডলার আহ্বানতিনদিনের সফরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এখন কক্সবাজারেচট্টগ্রামে মানবিক মেলা উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী‘এ যেন ভানুমতির খেল’৯ শিশু শিক্ষার্থীর স্মরণে শোক র‌্যালিমানবাধিকার কর্মী ও ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতারণার দৌরাত্ব্য বেড়েই চলেছেনির্বাচন কমিশনে চাকরিশিল্প মন্ত্রণালয়ে নিয়োগযৌন প্রস্তাবের যে গোপন কোড ফাঁস করলেন শার্লিনকিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী‘নতুন রোনাল্ডোর’ জন্য ম্যানইউর ১০০ মিলিয়ন ইউরো

কর্ণফুলীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস নির্মাণে হাইওয়ে পুলিশের বাঁধা

দখল নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য

karnafully2.jpeg

জে.জাহেদ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস নির্মাণে হাইওয়ে পুলিশের বাধা এবং ফাঁড়ি ইনচার্জের বিরুদ্ধে সাইনবোর্ড উপড়িয়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং উপজেলার আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলি রনি।

অফিস নিমার্ণের সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও নেতাকর্মী এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) মধ্যে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়।

যদিও গতকাল (১৩ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিকলবাহা ক্রসিং এলাকায় স্থানীয় আ.লীগ নেতারা অফিস নির্মাণে সাইনবোর্ড দিতে গেলে হাইওয়ে পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে বারাবারি ও বাক বিতন্ডার মতো ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় স‚ত্রে সরেজমিনে জানা যায়, যেখানে কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা অফিস নির্মাণের জন্য সাইনবোর্ড পুঁতে। জমিটি ছিল পরিত্যক্ত অবস্থায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের। কিন্তু স্থানীয় আ.লীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দু সালাম দাবি, ২০০৩ সালের দিকে তিনি জমিটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) থেকে ইজারা নেন। কেন না এর পিছনে তার নিজস্ব ৫ (পাঁচ) গন্ডা জমি রয়েছে। ঐ জমিতে যেতে হলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমির উপর দিয়ে যেতে হয় বলে তিনি সওজ ও জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে এ জমি প্রাপ্ত হন বলে দাবি করেন। এবং দীর্ঘদিন সরকারি কোষাগারে ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করে বলে জানান।

বছর কয়েক আগে কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক কার্যালয় নির্মাণের প্রয়াজন অনুভব করলে, স্থানীয় আ.লীগ নেতা আলহাজ্ব সালাম সাহেব নেতাকর্মীদের দাবির মুখে নিজস্ব দলিল ভুক্ত দু,গন্ডা জমি দেবেন বলে কথা দেন। এর মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষ হলে গতকাল কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলি রনি ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা প্রদত্ত জমিতে অফিস নির্মাণে সাইনবোর্ড দিতে গেলে হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক এবিএম মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য নেতাকর্মীদের বাধা দেন। এবং উপজেলা আ.লীগের টাঙ্গানো সাইনবোর্ড উপড়িয়ে ফেলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।

অপরদিকে এলাকার অনেকে অভিযোগ তুলেছেন, পটিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিনিয়ত সিএনজি ড্রাইভারদের হয়রানি সহ সওজের জমি নিয়ে নানা তালবাহনা শুরু করছে।

এ বিষয়ে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এবিএম মিজানুর রহমান বলেন, ‘জমিটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের। কিন্তু দখলদারেরা নিজেদের দাবি করে দখল করতে এলে পুলিশী বাধায় পিছু হটতে বাধ্য হন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) জমি দুই শর্তে ইজারা দেয়। কখনো একেবারে দেয়না। যারা দাবি করছে এ জমি তাদের তা সত্য নয়।’

অপরদিকে রিভারভিউ কমিনিউটি সেন্টারের মালিক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দু সালাম বলেন, ‘দলের জন্য ও কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস নির্মাণে দলিল ভুক্ত আমি দু গন্ডা জমি দিয়েছি। পরে আমার দেওয়া জমিতে রনি সাহেব ও নেতাকর্মীরা সাইনবোর্ড দিতে গেলে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে শুনেছি।’

কর্ণফুলী উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলি রনি বলেন, ‘আমরা সালাম সাহেবের দেওয়া জমিতে কার্যালয় নির্মাণে সাইনবোর্ড দিতে গেলে ফাঁড়ি ইনচার্জ মিজান হাইওয়ে পুলিশ দিয়ে আমাদের বাধা দেয়। পরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে চলে আসি।’

এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ‘আমার কাছে এ বিষয়ে কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেনি, পেলে আইনানুগ সিদ্ধান্ত হবে।’

Top