আপডেটঃ
সততার শক্তি অপরিসীম, সেটা আমরা বারবার প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা ঢাকা ডায়নামাইটসসর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মেনে চলার নাম ইবাদতকক্সবাজার জেলায় ওয়াইফাই জোন স্থাপনের নিমিত্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবেনাপোল পুটখালী ফেনসিডিল সহ আটক ৩ফরহাদ রেজার ঝড়ে হেরে গেলেন স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সযে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, সে মর্যাদা আমি রক্ষা করবঃ প্রধানমন্ত্রীঅবশেষে জ্বলে উঠল সাব্বিরবাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘআগামী সোমবার ঘটবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ‘জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুনরাই হবে আগামী দিনের সৈনিক’চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছেপ্রতারণামূলক বাণিজ্য ‘১টি কিনলে ১০টি ফ্রি!’

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান সহকারি অধ্যাপক মাহবুবা বেগম লাভলী

Lovly.jpg

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। শপথ শেষে মন্ত্রী পরিষদও গঠিত হল। এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি নির্বাচনের পালা।

সংসদীয় আসন-৩০২ ( মহিলা আসন-০২) কুড়িগ্রাম থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের মনোনয়ন চেয়ে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী।

তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তার বাবা ছিলেন একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে ৬নং সেক্টরের অধীনে ফ্লাইং অফিসার ও ম্যাসেঞ্জার ছিলেন এবং তার বড় আব্বা মোঃ মফিজুল হক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সনদ নং-১৫৬৮৮, বই ও ক্রমিক নং- ৫৩, ৯৪।

অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী’র স্বামী সমাজ সেবায় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত নুরনবী সরকার (যিনি সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান) কুড়িগ্রাম সদর।

জাতি গড়ার কারিগর, বিশিষ্ট সমাজসেবিকা লাভলী’র প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে কুড়িগ্রামের সর্বত্রই চলছে আলোচনা। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ও রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এলাকার সাধারণ মানুষ। গ্রামের সাধারণ জনগণ মাহবুবা বেগম লাভলী’কে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে পেতে চায়।

সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আমৃত্যু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে থাকতে চান কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের বাসিন্দা সহকারি অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী।

তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত নারী। সহকারি অধ্যাপকের পাশাপাশি তিনি এলাকায় গরীব দুখী মানুষের পাশে থাকেন সব সময় এবং গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরিক্ষত আসনের একজন নির্বাচিত সদস্য। তাছাড়াও তিনি গত ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নমিনেশন ফরম কিনেছিলেন।

রাজনৈতিক পরিচয়ে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ছিল তার অগাধ বিশ্বাস। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচীতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ রংপুর শাখা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য তিনি।

পেশাগত জীবনে মাহবুবা লাভলী বর্তমানে সহকারি অধ্যাপক, এরই সঙ্গে জেলা পরিষদ কুড়িগ্রামের সদর ও রাজারহাট উপজেলার নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য। রাজনৈতিকভাবে কুড়িগ্রাম জেলার সকল স্তরের জনগণের জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তার পাশাপাশি একজন নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত জাতি ও সুশীল সমাজ ও নারী সংগঠনের অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং অসহায় মানুষের পাশে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

মাহবুবা লাভলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনীত করে প্যাডে স্বাক্ষর দিয়েছেন। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা যদি আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে আমার মাধ্যমে কুড়িগ্রামবাসী উপকৃত হবে।

নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে আমাকে মনোনয়ন দিলে কুড়িগ্রামের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সহ রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমি সবার উন্নয়নে কাজ করব ইনশাল্লাহ্।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর) আসনে যেহেতু আওয়ামী লীগের কোন এমপি নেই তাই আশা করছি আসনটি আওয়ামী লীগ’কে দিবে। আমি শতভাগ আশাবাদী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে সংসদীয় আসন-৩০২, মহিলা আসন-০২ এ নির্বাচিত করবেন।

মাহবুবা লাভলী বলেন, অনেক দিন ধরেই আমি আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে বড় হয়েছি। নেত্রী শেখ হাসিনার সান্নিধ্য আমার রাজনৈতিক ও দেশপ্রেমের চেতনাকে উজ্জ্বল করেছে। সেই আদর্শ ও অভিজ্ঞতাকে মানুষের কাজে ব্যবহার করতে চাই। আমি আশাবাদী (আপা) জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মূল্যায়ণ করবেন।’

এলাকাবাসীরা জানায়, মাহবুবা লাভলী একজন খুবই দয়ালু ব্যক্তি। অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়ানোই তার আসল কাজ। বিশেষ করে অসহায় গরীব দুখী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সম্পূর্ণ নিজ তহবিল হতে মেয়েদের পোশাক ও বেসরকারি বই প্রদান করেন এবং প্রতি বছর শিক্ষা সফর ও শিক্ষাণীয় বিষয় সমূহের উপর উৎসাহ প্রদান করে থাকেন।

Top