কর্ণফুলীতে ৬৮ বছর পর মুক্ত হয়ে যুক্ত হল ১১টি ওয়ার্ড

Ctg-11.jpg

জে.জাহেদ, চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা দীর্ঘসুচিত্রা। তারপরেও দীর্ঘদিন পর পটিয়া থানা হতে ১১টি ওয়ার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নিয়েছে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন।

আজ দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিকলবাহার ইউনিয়নের ৪,৫,৬,৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড এবং বড়উঠানের দৌলতপুরের (১,২,৩) ও ৮,৯ নং ওয়ার্ড হস্তান্তর করেছে পটিয়া পুলিশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তথা কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ফারুক চৌধুরী।

জানা যায়, পটিয়া থানা গঠিত হয় ১৯৫০ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। এই দীর্ঘ ৬৮বছর হস্তান্তরিত এসব ইউনিয়নের ওয়ার্ড গুলো পটিয়া থানার দখলে ছিল। আজ অধীন মুক্ত হয়ে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনের যুক্ত হল। এবং বিষয়টি সর্বসাধারণকে অবগত ও করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশী সেবা নিশ্চিত ও জনগণের নিরাপত্তার মান বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সুত্রে জানায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে ১১টি ওয়ার্ড বুঝে নেন।

এ সময় কর্ণফুলী জোনের সিনিয়র সহকারি পুলিশ কমিশনার জাহেদুল ইসলাম, কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর মাহমুদ, পটিয়া থানার ওসি তদন্ত রেজাউল করিম মজুমদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম, পাঁচ ইউনিয়নের স্ব স্ব চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘উপরের নির্দেশে অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সিএমপির কর্ণফুলী থানার কাছে ১১টি ওয়ার্ড হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ থেকে ওসব ওয়ার্ড গুলো ওদের অধীনে।’

এ প্রসঙ্গে সিনিয়র সহকারি পুলিশ কমিশনার জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘ পটিয়া থানা হতে ১১টি ওয়ার্ড আজ সিএমপির অধিন্যস্ত কর্ণফুলী থানাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা তা বুঝেও নিয়েছি।’
আয়তন যেহেতু বেড়েছে সেক্ষেত্রে নতুন করে এসব এলাকায় কোন পুলিশ ফাঁিড় কিংবা পুলিশ বিট বসানো কিনা জানতে চাইলে সহকারি পুলিশ কমিশনার বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি হলে পরে জানাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।’

জানা যায়, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের ভ‚মি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি’র সার্বিক সহযোগিতায় কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুক চৌধুরী একের পর এক তাহার নির্বাচনী ইস্তেহারে দেওয়া প্রতিশ্রæতি পালন করে প্রমান করে চলেছেন। উপজেলা যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘নবসৃষ্ট উপজেলাবাসীর সমস্যা নিরসনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’