আপডেটঃ
শহরে দুর্বৃত্তের হাতে অন্তঃসত্ত্বাসহ ৯ নারী আহতইছানগরের আলোচিত সেই ভবন মালিকের আত্মসমর্পণস্থানীয়দের মাঝে বহাল তবিয়তে অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গার বসবাস!আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে আত্মসমর্পণ করুন -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালরোহিঙ্গ্যা মানবিক সংকটে জাতিসংঘের ৯২০মিলিয়ন ডলার আহ্বানতিনদিনের সফরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এখন কক্সবাজারেচট্টগ্রামে মানবিক মেলা উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী‘এ যেন ভানুমতির খেল’৯ শিশু শিক্ষার্থীর স্মরণে শোক র‌্যালিমানবাধিকার কর্মী ও ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতারণার দৌরাত্ব্য বেড়েই চলেছেনির্বাচন কমিশনে চাকরিশিল্প মন্ত্রণালয়ে নিয়োগযৌন প্রস্তাবের যে গোপন কোড ফাঁস করলেন শার্লিনকিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী‘নতুন রোনাল্ডোর’ জন্য ম্যানইউর ১০০ মিলিয়ন ইউরো

খালেদা জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর

Khaleda-BNP.jpeg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা দিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিল বিচারিক আদালত। সেই সাজা থেকে খালাসের আবেদন করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন তার সাজার আরো বাড়ানোর আবেদন করেছিল।

দুটি আবেদনের নিষ্পত্তি করে আদালত আজ মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেছেন।

মামলার আরেক আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকার পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করতে পারেননি। তাই হাইকোর্ট রায়ে তা সাজার বিষয়ে কিছু বলেনি। আইনজীবীরা বলছেন, এ অবস্থায় তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতের দেয়া ১০ বছরের সাজাই বহাল থাকলো।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

বিচারিক আদালতের দেয়া ওই সাজা থেকে খালাস চেয়ে খালেদা ও অন্য দুই আসামি কাজী সলিমুল হক ও শরফুদ্দিন আহমেদ আপিল করেছিলেন হাইকোর্টে।

অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার দণ্ড বাড়ানোর আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর নিম্ন আদালতের দেয়া সাজা বহালের আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।

ওইসব আবেদনের বিষয় নিষ্পত্তি করে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের পর থেকেই কারাগারে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

আদালতে দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় মামলাটি এক নম্বরে রাখা ছিল। রায়কে ঘিরে আদালত কক্ষের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য অবস্থান নিয়েছিল।

Top