ঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে, জানতে চান বিদেশি কূটনীতিকরা

kamal.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবি এবং লক্ষ্য কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরলেন জোটের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানে লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব তুলে ধরেন।

পরে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ আমরা শুধুমাত্র বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। এ সময় ড. কামাল হোসেন জোটের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য কূটনীতিকদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন। অত্যন্ত সফলভাবে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠান হয়েছে।’

উপস্থিত সাংবাদিকরা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু জানতে চান।

জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেছি। এর বেশি কিছু বলা যাবে না।’

মতবিনিময় সভা থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্যের লিখিত কপি কূটনীতিকদের সরবরাহ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পূর্ব শর্তাবলি, ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয় সম্পর্কিত কূটনীতিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. কামাল হোসেন।

বিকেল ৩টা থেকে এক ঘণ্টা হয় মতবিনিময় সভা। শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কূটনীতিকদের স্বাগত জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের পরিচয় করিয়ে দেন।

এরপর ড. কামাল হোসেন বক্তব্য রাখেন। তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন ও চাওয়া কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, মরক্কোসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আর বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শাহজাহান ওমর, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মীর নাসির, শাহিদা রফিক, শামা ওবায়েদ, তাবিথ আউয়াল, মীর হেলাল, জেএসডির আ স ম আব্দুর রব, তানিয়া রব, আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মনটু, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএস আকবর, শহীদুল্লাহ কায়সার, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।