আপডেটঃ
সততার শক্তি অপরিসীম, সেটা আমরা বারবার প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা ঢাকা ডায়নামাইটসসর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মেনে চলার নাম ইবাদতকক্সবাজার জেলায় ওয়াইফাই জোন স্থাপনের নিমিত্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবেনাপোল পুটখালী ফেনসিডিল সহ আটক ৩ফরহাদ রেজার ঝড়ে হেরে গেলেন স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সযে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, সে মর্যাদা আমি রক্ষা করবঃ প্রধানমন্ত্রীঅবশেষে জ্বলে উঠল সাব্বিরবাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘআগামী সোমবার ঘটবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ‘জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুনরাই হবে আগামী দিনের সৈনিক’চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছেপ্রতারণামূলক বাণিজ্য ‘১টি কিনলে ১০টি ফ্রি!’

ভারতকে মাত্র ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের

Tiger-2.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ প্রথমে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। মাত্র ১৬ রানের মধ্যে বাংলাদেশের দুই ওপেনারকে আউট করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পক্ষে নিয়েছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত ভারতের বিধ্বংসী বোলিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৭৩ রানে। জিততে ভারতের দরকার ১৭৪ রান।

পুরো ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার বোলিং তোপে এলোমেলো ছিল বাংলাদেশ। জাদেজা একাই নিয়েছে ৪ উইকেট। এককথায় টাইগার ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেছে ভারতের বোলাররা।

শুক্রবার ভারতের একাদশের বিপক্ষে বিকাল সাড়ে ৫টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে বেশ ধীরে সুস্থে এগোচ্ছিলেন টাইগাররা। কিন্তু বল হাতে নেমে বিধ্বংসী রুপে বাংলাদেশের ৩টি উইকেট একাই তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। তার ওভার যেন কোনো রকম পার করতে পারলেই বাঁচে টাইগার ব্যাটসম্যানরা।

বাংলাদেশের ইনিংসের পঞ্চম ওভারে উইকেট তুলে নিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। নিজের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে লিটন দাসকে ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ১৬ বলে ১ চারে ৭ রান করে ফিরেছেন লিটন।

এরপর আঘাত হানেন জসপ্রিত বুমরাহ। উইকেটের স্বাদ নিতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে। নিজের তিন নম্বর ওভারেই ফিরিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্তকে। ১৪ বলে ৭ রান করেছেন শান্ত। তখন ৫.১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১৬ রান।

ভক্তরা যখন ভাবছিলেন সাকিব আল হাসান-মুশফিকুর রহিম দলকে টেনে নেবেন, তখনই আবারও উইকেটের পতন! দলীয় ৪২ রানের মাথায় আউট হয়েছেন সাকিব।

দ্রুত রান তোলা এই অলরাউন্ডার ব্যক্তিগত ১৭ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন। ১২ বলের ইনিংসে ৩টি চার মেরেছেন তিনি। রবীন্দ্র জাদেজার বলে স্কোয়ার লেগে শিখর ধাওয়ানকে ক্যাচ দিয়েছেন সাকিব।

সাকিবের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন মিঠুন। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিক। কিন্তু না শেষটা আরও ভালো হোলই না মুশফিকের। দলীয় ৬৫ রানের মাথায় আবারও হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ৪৫ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। রবীন্দ্র জাদেজার বলে বাঁ দিকে রিভার্স সুইপ করে খেলতে গিয়ে ক্যাচে আউট হন মুশফিক। মুশফিকের বিদায়ের আগেই দলের পক্ষে ৯ রান যোগ করে আউট হয়েছিলেন মিঠুন।

দলের শেষ ভরসা মাহমুদউল্লাহ-মোসাদ্দেক। ভক্তরা হয়ত আশায় ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে বড় একটা স্কোর আসবে কিন্তু না। দলীয় ১০১ রানের মাথায় কুমারের বলে ব্যক্তিগত ২৫ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। কি পোড়া কপাল টাইগারদের। কুমারের ওভারের পর বোলিংয়ে আসেন জাদেজা। এসেই ঘটালেন অঘটন। ওভারের প্রথম বলেই আউট করেন মোসাদ্দেকে। ৪৩ বল খেলে মাত্র ১২ রানে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

দলের অবস্থা যখন এলোমেলো, ঠিক তখনই রানের চাকা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন টাইগার দলপতি মাশরাফি ও মিরাজ। ৩২ বলে ২৬ রান করে কুমারের বলে আউট হয়েছেন ম্যাশ। কুমারের নয় নম্বর ওভারে পরপর দুই ছক্কা মেরে তৃতীয় বলটি লেগ সুইং খেলতে গিয়ে জসপ্রিত বুমরাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ফলে দলীয় ১৬৭ রানে ফিরতে হয়েছে তাকে।

আবারও হতাশার মুখ টাইগারদের। মিরাজ আউট হন জসপ্রিত বুমরাহর বলে। হাফ চেঞ্চুরির খুব কাছ থেকে ফিরে যেতে হয়েছে তাকে। ৫০ বলে করেছেন ৪২ রান। জসপ্রিতের বলে লেগ সাইডে ব্যাট হাঁকালেও বাউন্ডারির খুব কাছে দাঁড়িয়ে থাকা শিখর ধাওয়ান বলটি ক্যাচ ধরেন। এতেই মিরাজকে স্বপ্নের হাফ সেঞ্চুরির কাছ থেকে ফিরে যেতে হয়েছে।

শেষ উইকেটে কুমারের বলে ক্যাচ আউট হন মুস্তাফিজ। আর এতেই শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস। ভারতকে জিততে হলে করতে হবে ১৭৪ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : 

বাংলাদেশ : ১৭৩/১০ (৪৯.১) (নাজমুল হোসেন শান্ত ৭, লিটন দাস ৭, সাকিব আল হাসান ১৭, মোহাম্মদ মিঠুন ৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৫, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১২, মেহেদি হাসান মিরাজ ৪২, মাশরাফি বিন মর্তুজা ২৬, রুবেল হোসেন ১*, মুস্তাফিজুর ৩; রবীন্দ্র জাদেজা ১০/৪, কুলদিপ যাদব ১০/০, ভুবনেশ্বর কুমার ১০/৩, জসপ্রিত বুমরাহ ৯.১/৩, যুজবেন্দ্র চাহাল ১০/০।

Top