আপডেটঃ
সততার শক্তি অপরিসীম, সেটা আমরা বারবার প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা ঢাকা ডায়নামাইটসসর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মেনে চলার নাম ইবাদতকক্সবাজার জেলায় ওয়াইফাই জোন স্থাপনের নিমিত্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবেনাপোল পুটখালী ফেনসিডিল সহ আটক ৩ফরহাদ রেজার ঝড়ে হেরে গেলেন স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সযে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, সে মর্যাদা আমি রক্ষা করবঃ প্রধানমন্ত্রীঅবশেষে জ্বলে উঠল সাব্বিরবাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘআগামী সোমবার ঘটবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ‘জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুনরাই হবে আগামী দিনের সৈনিক’চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছেপ্রতারণামূলক বাণিজ্য ‘১টি কিনলে ১০টি ফ্রি!’

রোজায় পানিশূন্যতা রোধে যা করণীয়

rooja.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ রোজায় অন্য সময়ের চেয়ে একটি বেশি পানি পান করতে হয়। কেননা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত যে কোনো পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। আর তাই ইফতারি আর সেহরি পর্যন্ত বয়স, ওজন আর উচ্চতা ভেদে দৈনিক ১২ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন।

রোজার সময় অনেকেই পানিশূন্যতার সমস্যায় ভোগেন। পানি শূন্যতার সমস্যা সমাধানে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি।

রোজায় অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার বর্জন করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত লবণ দেহ থেকে পানি শুষে নিয়ে দেহের পানির চাহিদা বাড়িয়ে দেয়।

Re-hydrating মিনারেল তথা K+ যুক্ত খাবার সেহরি আর ইফতারে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। এসকল খাবার আমাদের দেহ থেকে পানি স্বল্পতা দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজাতীয় খাবারগুলো হলো খেজুর, আম, কলা ইত্যাদি।

পানি স্বল্পতা রোধ করতে অবশ্যই সেহরিতে চা-কফি পান করা বর্জন করতে হবে। এজাতীয় পানীয় আমাদের শরীরে di-uretics হিসেবে কাজ করে। ফলে আমাদের দেহের পানির চাহিদা বেড়ে যায়।

প্রতিদিন অবশ্যই সুষমজাতীয় খাবার খেতে হবে। পুষ্টিকর সুষম খাবার আমাদের শরীর ভালো রাখতে এবং শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।

রোজায় অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার আমাদের শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই এজাতীয় খাবার বর্জন করাই শ্রেয়।

রমজান মাসে অবশ্যই অতিরিক্ত তেলে ভাজা ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। কারণ এজাতীয় খাবার আমাদের পরিপাক ক্রিয়ায় বাঁধা প্রদান করে।

Top