আপডেটঃ
সততার শক্তি অপরিসীম, সেটা আমরা বারবার প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা ঢাকা ডায়নামাইটসসর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার নির্দেশ মেনে চলার নাম ইবাদতকক্সবাজার জেলায় ওয়াইফাই জোন স্থাপনের নিমিত্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবেনাপোল পুটখালী ফেনসিডিল সহ আটক ৩ফরহাদ রেজার ঝড়ে হেরে গেলেন স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সযে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, সে মর্যাদা আমি রক্ষা করবঃ প্রধানমন্ত্রীঅবশেষে জ্বলে উঠল সাব্বিরবাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘআগামী সোমবার ঘটবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ‘জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুনরাই হবে আগামী দিনের সৈনিক’চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছেপ্রতারণামূলক বাণিজ্য ‘১টি কিনলে ১০টি ফ্রি!’

কক্সবাজারের প্রতিটি বাড়ি হতে পারে ‘ট্যুরিস্ট হোম’- ড. হাবিবুর রহমান

32159617_1295891233876947_2269800893501145088_n-650x406.jpg

আব্দুল আলীম নোবেল|
বিশ্বের ধনীরাষ্ট্র কাতারের আমীরের(প্রধানমন্ত্রী) উপদেষ্টা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, ইতিহাস লেখক ড. হাবিবুর রহমানের সাথে প্রতিবেদকের একান্ত অলাপাচারিতায় তিনি বলেন।
বিশ্বের সাথে তাল মিয়ে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশ হচ্ছে দ্রুত এটি অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। সামনের দিকে এগিয়ে চলা, কক্সবাজারে পর্যটন খাত, প্রচুর অর্থনৈতিক সম্ভবনা এবং পরিচিতির ক্ষেত্রে একটি ভাল দিক বর্তমানে আমাদের জন্য। চাইলে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পের আয় দিয়ে পুরো দেশের বাজেটের অর্ধেক চাহিদা মিটাতে সক্ষম। তবে এমনটি অপরিকল্পিত নগায়ণ মোটেও ভাল ফলাফল বয়ে আনবে না। সবার আগে পরিকল্পিত নাগয়ণের দিকে মনযোগ দিতে হবে। মাস্টার প্লানের আওতায় যে কোন স্থাপনা তৈরি করতে হবে।
এই ক্ষেত্রে সরকার ও স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পরে এই শিল্প। দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটক টানতে প্রথমত কক্সবাজারে সস্তা খাবার, যানযট মুক্ত সড়ক, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নগরী ও পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে সবার আগে। সী সাইডের দিকে উচু উচু দালান নির্মাণ মোটেও সর্মথন করতে পাচ্ছি না। এইরক নির্মাণশৈলি বিশ্বের কোথাও আমি দেখিনি। পর্যটকদের যদি নির্মল বাতাস ও মন খোলে সাগর দেখার সুযোগ না দিলে এখানে কি জন্য আসবে পর্যটকরা। কক্সবাজার থেকে শাহপীর দ্বীপ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পাশে কোন ধরণের স্থাপনা থাকতে পারবে না। সাগর দেখার পাশাপাশি পর্যটকদের কক্সবাজারের ইতিহাস ঐতিহ্য, গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট গুলোর দেখার সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়া তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার শহরের প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল, গেষ্ট হাউজ, এর পরেও আগামীতে আরো অনেক স্থাপনা দরকার হবে। পর্যটন মৌসুমের সময় পর্যটকদের জায়গা দিতে না পারায় পর্যটকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এতে একটি নতুন ধারণা দেয়া যেতে পারে, যেমনটি- কক্সবাজারের শহরের প্রতিটি বাড়ি এক একটি টুরিষ্ট হোম হতে পারে। স্থানীয়দের বাড়িতে এক রুম বা দুই রুমের ঘর তৈরি করতে হবে। সেটি হবে অত্যান্ত সাজানো গোছানো ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। পটর্যটক আসলে ঘরোয়া পরিবেশ তাদের জন্য বাড়ির লোকরাই খাবার পরিবেশন করবে। মাটির পাতিলে খাবার রান্না হবে, বাসন প্লেইটও মাটির হবে। সেখানে কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহি খাবার দাবার থাকবে। যতগুলো বাড়িতে টুরিষ্ট হোম থাকবে সাবাই মিলে একটি টুরিষ্ট কলসেন্টার থাকবে। পর্যটকরা সেখানে গিয়ে বুকিং দিয়ে তাদের সেবা গ্রহণ করবে। এতে শহরে বিশাল একটি চাপ কমবে।

Top