আপডেটঃ
ফরহাদ রেজার ঝড়ে হেরে গেলেন স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সযে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, সে মর্যাদা আমি রক্ষা করবঃ প্রধানমন্ত্রীঅবশেষে জ্বলে উঠল সাব্বিরবাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘআগামী সোমবার ঘটবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ‘জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তরুনরাই হবে আগামী দিনের সৈনিক’চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছেপ্রতারণামূলক বাণিজ্য ‘১টি কিনলে ১০টি ফ্রি!’প্রথম আলো গণিত উৎসব-২০১৯ সম্পন্নলাইনে দাঁড়িয়ে বার্গার কিনলেন বিল গেটস!দল পুনর্গঠন করতে তরুণ ও ত্যাগীদের সুযোগ দিতে চায় বিএনপিবিপিএলে ফিফটি করেই মাঠে সেজদা সাকিবের‘একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশকে কিছু দিতে পারে আগামীতে ও পারবেন’

রিভার্স সুইং করাতে ট্যাম্পারিং লাগে না

swing.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ কেপ টাউন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বল ট্যাম্পারিং চেষ্টার ঘটনার পর এক সপ্তাহ হয়ে গেছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জড়িত তিন ক্রিকেটার স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে কঠোর সাজাই দিয়েছে। তারপরও এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা কমেনি। সেই ম্যাচে বল ট্যাম্পারিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল পেসারদের জন্য বলে রিভার্স সুইং আনতে। কিন্তু যাদের হাতে রিভার্স সুইংয়ের জন্ম সেই পাকিস্তানি গ্রেট পেসাররা দাবী করেছেন, এটা পেতে বল ট্যাম্পারিংয়ের প্রয়োজন নেই। এই তালিকায় আছেন সরফরাজ নেওয়াজ, ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিস।

বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তান উপহার দিয়েছে দারুণ কিছু ফাস্ট বোলার। সুইং বোলার। পেস বোলার। আর সেই বোলারদের উপহার রিভার্স সুইং। এর পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচনা করা হয় ডানহাতি পেসার সরফরাজ নওয়াজকে। আর এই ৬৯ বছর বয়সী মনে করেন প্রতারণা ছাড়া রিভার্স সুইং পাওয়া যায় না এই ধারণা পুরোপুরি ভুল, ‘রিভার্স সুইং প্রতারণা, এটা বলাটাও হাস্যকর। বল ট্যাম্পারিং না করেও আপনি রিভার্স সুইং করাতে পারবেন।’

সরফরাজ এই শিল্প তুলে দেন উত্তরসূরি ইমরান খানের হাতে। এই বিদ্যায় তিনি গুরুর চেয়ে বেশি সফলতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে বোতলের ছিপি ব্যবহার করে বলের একপাশ রুক্ষ করে ট্যাম্পারিং করার কথা স্বীকার করেছেন। তার হাত থেকে রিভার্স সুইংয়ের বিদ্যা ছড়িয়ে যায় দুই পেস বোলিং গ্রেট ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের হাতে। নতুন বলে এই দুজনের জুটি ছিল ভীষণ ধ্বংসাত্মক। ১৯৯২ সালের ইংল্যান্ড সফরে দুজনে মিলে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন আপ। ইংলিশ মিডিয়া এই দুজনকেও ট্যাম্পারিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত করেছিল। ওয়াকার সেইসব স্মৃতি মনে করে বলেন, ‘ওই অভিযোগগুলো খুব কষ্ট দিয়েছিল।’ তার মতেও রিভার্স সুইং বল ট্যাম্পারিং না করেও পাওয়া সম্ভব, ‘অবশ্যই, প্রতারণা না করেও রিভার্স সুইং পাওয়া সম্ভব। এখন তো বেশিরভাগ বোলারই এটা করে এবং উইকেট নিয়ে দলকে জিততে সাহায্য করে।

তবে ওয়াকারকে ২০০০ সালে শ্রীলঙ্কার মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে ট্যাম্পারিংয়ের অপরাধে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে হয়েছিল, ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানাও হয়েছিল। ‘সুলতান অব সুইং’ নামে পরিচিত আকরামকে কখনই এমন কিছুতে অভিযুক্ত হতে হয়নি।

সূত্র : বিরেকর্ডার ডট কম।

Top