উন্নয়নের প্রধান বাধা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ : প্রধানমন্ত্রী

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা গড়ে তুলতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ- ২০১৮ উদ্বোধনের সময় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পূর্বশর্ত। আর উন্নয়নের প্রধান বাধা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ। পুলিশ এই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ রুখতে বিরাট ভূমিকা পালন করছে। এ দেশের মাটিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই।

তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ ঠেকাতে পুলিশকে জনসম্পৃক্ততা গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদেরকে শিক্ষার্থীর দিকে নজর রাখতে হবে। তরুণ সমাজকে নজরদারির মধ্যে রাখলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দূর করা সরকার ও পুলিশের পক্ষে সহজ হবে।

এ সময় দমন-পীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব হওয়ার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। নিজেদের নিজেদের জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা যেকোনো দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এজন্যই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, ‘অর্থপাচার ও সাইবার অপরাধ প্রতিহত করতে প্রযুক্তিগত দিক থেকে পুলিশ সদস্যদের দক্ষ হতে হবে। এজন্য তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশে-বিদেশে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে। আমরা এটিকে ব্যয় মনে করি না, আমরা মনে করি এটি বিনিয়োগ।’

এর আগে পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন শাখার কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম নেন তিনি।

এ বছর পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘জঙ্গি মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ২০১৭ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ বাহিনীর ১৮২ জন সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক- বিপিএম, বিপিএম-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক-পিপিএম ও পিপিএম-সেবা পদক প্রদান করেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.