শেষ বারের মত বাসভবনে মেয়র আনিসুল হক

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ রাজধানীর বনানীর বাসভবনে নেওয়া হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ। এর আগে শনিবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে।

বিমানের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, ‘লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিজি ২০২ ফ্লাইটটি বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করেছে।’

বিমানবন্দরে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে মেয়রের লাশ গ্রহণ করেছেন সংস্থাটির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম, সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর এম এ রাজ্জাক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, প্রধান ভাণ্ডার কর্মকর্তা মো. মনোয়ার উজ জামান, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রধান সমাজ কল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) লে. কর্নেল এস এম সাবের সুলতানসহ সংস্থার ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।

এরপর জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত কফিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তার বনানীর বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই মেয়রের মরদেহ দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যাওয়ার কথা রয়েছে সেখানে। আজ বিকাল ৩টার দিকে সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ আর্মি স্টেডিয়ামে রাখা হবে। বাদ আসর সেখানে জানাজার পর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনিসুল হকের মৃত্যু হয়। গত ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আশির দশকের বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় হন আনিসুল হক। পরবর্তীতে তৈরি পোশাক খাতের সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তিনি। এরপর বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই ও সার্ক চেম্বারের মতো ব্যবসায় সংগঠনগুলোর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তিনি।

Comments are closed.