শার্শার মাদক ব্যবসায়ী তাইজেলের দম্ভোক্তি আমি জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য

ইয়ানূর রহমান : শার্শার পুশিশের সোর্স ও কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী তাইজেলের দম্ভোক্তি, আমি জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য, আমার নামে লিখে কিছুই হবেনা। আমার হাতে রয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি।

শার্শার কায়বা এলাকার কুখ্যাত স্বর্ণ-রোপৗ ও মাদক পাচারকারী তাইজেলের নামে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবেদককে মোবাইলে দম্ভোক্তি করে বলে, আমিও সাংবাদিক, তাও জাতীয় পর্যায়ের পত্রিকায় গোয়েন্দা রিপোর্ট করি। আমি জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য। আমার নামে লিখে কোন লাভ হবে। আমার সাথে আছে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি। শার্শার সাংবাদিকরা আমার কিছুই করতে পারবে না—।

সুত্র জানায়, তাইজেল জোট সরকারের আমলে বিএনপি’র ক্যাডার হয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে। আবার এ আমলেও আওয়ামীলীগের ক্যাডারের ভুমিকায় রয়েছে। তাইজেল ও তার সহদও ভাই আতিয়ারের রয়েছে শার্শার কায়বা জুড়ে মাদক ও স্বর্ণ-রৌপ্য পাচারের সিন্ডিকেট।

নিজের অপরাধ জগতকে টিকিয়ে রাখতে সম্প্রতি বেনাপোলের এক জন প্রতিনিধির সাথে হাত মিলিয়ে আ,লীগের কাডার পরিচয় দিয়ে মাদক সিন্ডিকেটের পরিধি বাড়িয়ে চলেছে। সম্প্রতি প্রেসক্লাব শার্শার প্রচার সম্পাদক আজিজুল ইসলামকে চাঁদার দাবিতে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, পুশিশের সোর্স তাইজেল দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি ব্যবসার আড়ালে নিজের সহদর ভাই আতিয়ারের স্বর্ণ-রৌপ্য পাচারের কাজে নিয়োজিত ছিলো। গত কয়েক বছর ধরে সে নিজেই এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। আর এ মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলার জন্য পুলিশের সাথে গড়ে তোলে গভীর সখ্যতা। নিজের আস্তানাকে সক্ত পক্ত করতে এলাকার ছোট ছোট মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে পুলিশের সোর্স বনে যায়।

এদিকে পুলিশের চোখে সোর্স সেজে তাইজেল নিজেই গড়ে তোলে মাদকের সিন্ডিকেট। ভারত সীমান্ত লাগোয়া বাড়ি হওয়ায় এবং বিজিবি ক্যাম্প দুরে হওয়ায় এ সিন্ডিকেট চালাতে তার বেগ পেতে হয় না। সীমান্ত লাগোয়া বাড়ি হওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাকে আটক করতে পারছেনা বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।

ঢাকায় পুলিশের হাতে আটকের ব্যপাওে তাইজেলের কাছে জানতে চাইলে সে ঘটনাটি শিকার করে বলে, পুলিশ আমাকে সহ তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েও রাখতে পারেনি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.