রামুতে বিচারের নামে অসহায় পরিবারের  বাড়ী-ঘর ভাঙচুর ও নির্যাতনের অভিযোগ

 

 

নিজস্ব সংবাদদাতা।

রামু উপজেলার রশিদনগরে বিচারের নামে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে প্রভাবশালী ও চৌকিদার কর্তৃক অসহায় পরিবারকে বাড়ীঘর ভাঙচুর ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনটি ঘটেছে ০৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় ইউনিয়নের পূর্ব কাহাতিয়া পাড়া এলাকায়। পূর্ব কাহাতিয়া পাড়া এলাকার মোক্তার আহমদের পুত্র হত-দরিদ্র শামশুল আলম অভিযোগ করে জানান, ইউপি চেয়ারম্যান শাহআলমের নির্দেশে খাদেমের পাড়া এলাকার হাজী আল আহমদের পুত্র প্রভাবশালী জয়নাল আবেদীন তারই পুত্র নাসির উদ্দীন, চৌকিদার মোক্তার আহমদ, চৌকিদার জসিম উদ্দিন, চৌকিদার ছৈয়দ নুর আমার বাড়ীতে গিয়ে আমাকে ইউনিয়ন

পরিষদে আসার জন্য বলে। আমি তা প্রত্যাখ্যান করিলে সবাই ঐক্যবদ্ধ হইয়া আমার বাড়ী-ঘর ভাঙচুর করে এবং আমার বাড়ীতে ঢুকে আমার স্ত্রী রুমি আক্তারকে

দা দিয়ে কুপ মারে এবং ঘরের চালে আগুন আগুণ ধরিয়ে দিয়ে বাড়ীর আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়া যায়। রুমি আক্তার গুরতর আহত হয়ে বর্তমানে কক্সবাজার সদ হাসপাতালে

চিকিৎসাধীন আছে। তিনি আরও জানান, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, রশিদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহআলম ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবুলকে নিয়ে ঘটনাটি মিটমাট করার জন্য নির্দেশনা

প্রদান করেন। কিন্তু তা অমান্য করে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবুলকে না ডেকে চেয়ারম্যান জোরপূর্বকভাবে আমার বাড়ীতে লোকজন পাঠাইয়া আমাকে বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করার জন্য এঘটনা ঘটায়। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উচ্ছেদের বিষয় ও মারধরের অভিযোগটি অস্বীকার করে জানান, শামশুল আলমের পিতা মোক্তার আহমদ কিছুদিন আগে পুত্র শামশুল আলমের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদে একটি

অভিযোগ দায়ের করে। এতে উভয়পক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডাকা হয়। ৭দিনের মধ্যে ভিটা বাড়ী ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। শামশুল আলম ইউনিয়ন পরিষদে না আসায় চৌকিদার কর্তৃক বাড়ী থেকে শামশুল আলমকে ডাকার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এতে তার দুই

চৌকিদার ছৈয়দ নুর ও জসিমকে মারধরের অভিযোগ তুলেন ইউপি চেয়ারম্যান।এলাকারবাসীরা জানান, শামশুল আলম বনবিভাগের পি.এফ জায়গা দখল করে

পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসিতেছে। হঠাৎ করে চেয়ারম্যানের নির্দেশে চৌকিদার, এলাকার কিছু লোকজন এসে শামশুল আলমের বাড়ী ঘর ভাঙচুর করে এবং তার স্ত্রীকে মারধর করে ঘরের চালে আগুন দেয় এবং ভিটে বাড়ী ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান

করে। এব্যাপারে শামশুল আলম প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.