মহেশখালি দ্বীপ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর “বিপ্লব ও পরিবর্তন”

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড় সমৃদ্ধ দ্বীপ মহেশখালি। কক্সবাজার জেলা হতে অতি কাছাকাছি একটি উপজেলা।

যে উপজেলার কুতুবজোম সোনাদিয়া দ্বীপে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাত্রি যাপন করেছিলেন।

এখানে উৎপাদিত হয় বিশ্ববিখ্যাত শুটকি,দেশসেরা পান ও নবণ, আমদানিকৃত চিংড়ির সিংহভাগ উৎপাদন সমৃদ্ধ ভূখন্ড এটি।

কিন্তু নিয়তির কি অমোঘ বাণী নেতা আসে নেতা যায়। সরকার আসে আবার সরকার পরিবর্তন ও হয়।

কিন্তু মহেশখালির মানুষের ভাগ্য পাল্টায় না। গুটিকয়েক চুনোপটি নেতা আর প্রভাবশালীদের ১০ মিলি মিটার হাতের তালুতে বন্দি সব উন্নয়ন।

মুখে শান্তির বাণী, মিছিল মিটিংয়ে নেতা সেঁজেছে সকলে। তবে উন্নয়নে ফাঁকা সব। ১৯৮১ কিংবা ৮৩ সালে সামরিক সরকারের আমলে এরশাদ সাহেবের কটা প্রতিষ্ঠান আর জেটিঘাট দিয়ে খুটিয়ে হাটছে এখনো এই দ্বীপ।

যা দেখে মহেশখালির সকল সচেতন মানুষের বুকে ব্যথা অনুভব হয়। তার ব্যতিক্রম নয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মোঃ রিদুয়ানুল হক নামে এই শিক্ষার্থীও।

যিনি তার ভাবনার কথা, হতাশার বাণীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক দুনিয়ায় ছুড়ে দিয়েছেন।

আমরা পাঠকের আগ্রহে তা হুবহু প্রকাশ করতে চেষ্টা করলাম মাত্র।

“সত্যিকারের বিপ্লব ছাড়া মহা বিশ্বের গঠনে কোনো ধর্মের সৃষ্টি হয়নি,দেশও উদ্ভব হয়নি,ভাষাও আত্মপ্রকাশ করেনি। সাহসিকতা,বিপ্লব ফলে মহা জগতের যত টুকু পরিবর্তন হয়েছে ধার্মীকতা ও সরলতার ফলে ততটুকু হয়নি।

সত্যিকারের এক বিপ্লব প্রয়োজন আমাদের মহেশখালীকে ঠিকে রাখার জন্য ও পরিবর্তন সাধনের জন্য। ভাবতেও অবাগ লাগে যখন মহেশখালী থেকে কক্সবাজার যাতায়াতের প্রবেশ পথে যখন টাকা দিয়ে প্রবেশ করতে হয় এবং টাকা দিয়ে বাহির হইতে হয়।

একবিংশ শতাব্দীতে এসেও এই অরাজকতা মানতে বাধ্য হয়ে গেছি। বাঁশ বা তক্তার সাঁকো দিয়ে পারাপার করে বাংলাদেশের কোথাও টাকা দিতে হয় আমার জানা নাই,এমন কি পৃথিবীতে কোথাও আছে কি না জানি না।এই লজ্জা কার এবং কাদের জন্য? আমরা কি কক্সবাজার জেলার মানুষ নয়?

বাংলাদেশে এত উন্নয়ন এত পরিবর্তনের কথা শুনি কিন্তু মহেশখালীতে একটি সত্যিকারের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের কথা শুনিও নাই দেখিও নাই।

আবার হয়নি এমনও না তবে যা কিছু হয়েছে সবেই ধবংসের নতুন নতুন রুপ মাত্র। মানুষ মারা কল ও বলা যাই। কেউ সৃষ্টি করে খুশি হয় ঠিক আবার ধ্বংস করে খুশি হয়।

বিগত দশ বছরে যা কিছুর চুল মাত্র পরিবর্তন হয়নি তার মধ্যে অন্যতম বিদ্যুৎ খাত,জেটিঘাটের অব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাটের সম্প্রসারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন,শিক্ষার মানবৃদ্ধি,চাকরিজীবীর সংখ্যা আশানুরোপ বৃদ্ধি, প্রবাসি আয় ইত্যাদি এই সবের কোনো কিছুর পরিবর্তন, বৃদ্ধি চোখে পড়ার মত নয়।

কিন্তু ঠিকেই বৃদ্ধি পেয়েছে আগের তুলনায় মাদক চালান বা ব্যবসা,ইয়াবার প্রসার, চুরি,মারামারি, খুন,অন্যের ভুমি দখল,ইত্যাদি।”

Comments are closed.