বৃহস্পতিবার কক্সবাজার শহরের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উন্নয়ন কাজের জন্য বৈদ্যুতিক লাইন, খুঁটি সরাতে এবং জরুরী মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম সিবিএন-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তার উন্নয়নের জন্য উল্লেখিত সময়ে বৈদ্যুতিক লাইন ও খুঁটি স্থানান্তর কাজ চলবে।রোববার সাময়িক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে বলে জানান-প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম।

কক্সবাজার শহরের যেসব এলাকায় উল্লেখিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে, সেসব এলাকা হলো-পশ্চিমে কক্সবাজার পৌরসভা কার্যালয় থেকে পূর্বে পাওয়ার হাউজ পর্যন্ত কক্সবাজার প্রধান সড়কের পুরো দক্ষিণ পাশ। তারমধ্যে দক্ষিন হাজীপাড়া, দক্ষিন ডিককুল, বার্মিজ মার্কেট থেকে পৌরসভা পর্যন্ত মেইন রোডের দক্ষিন পার্শ্ব, বৌদ্ধ মন্দির রোড, বৈদ্যঘোনা, ঘোনার পাড়া, হাসপাতাল রোড, মোহাজেরপাড়া, দক্ষিন রুমালিয়ার ছড়া, এবিসি ঘোনা, চেয়ারম্যান ঘাটা, পাহাড়তলী রোড, ইউসুলেরঘোনা, পাহাড়তলী বাজার, কচ্ছপিয়া পুকুর পাড় এলাকা এবং হালিমাপাড়া এলাকা সহ তৎসংলগ্ন এলাকা।

প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম আরো জানান, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলাকা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে তারা বৈদ্যুতিক খুঁটি গুলো সরানোর চেষ্টা করবেন। তবে কোন কোন জায়গায় তা সম্ভব না হলে উল্লেখিত পুরো এরিয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে কাজ করতে হবে। সম্ভব হলে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার আগেই তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করার জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করবেন বলে জানান। তিনি এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এদিকে, উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধা হওয়ায় কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের পক্ষে প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।‘আমার দোষ আমি হাতাকাটা ব্লাউজ পরে বইমেলায় গিয়েছি’
অনলাইন ডেস্ক: চলতি বছর বইমেলায় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার ‘গোলাপি জমিন’ নামের একটি উপন্যাস ও ‘রাস্তার ধারের গাছটির কোনো ধর্ম ছিলো না’ শিরোনামের একটি কবিতার বই প্রকাশ হয়েছে। এই দুই বইয়ের জন্যই মেলায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পাঠক ও ভক্তদের অটোগ্রাফ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন একজন নেটাগরিক। ছবিগুলো মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেই পোস্টটি নজর এড়ায়নি ভাবনার।

বইমেলায় তোলা ভাবনার ছবি দুটি পোস্ট করে পূর্ব মিজান নামে একটি আইডি থেকে লিখেছেন, ‘বর্তমানে ফেসবুকের বদৌলতে এই রকম আইটেম লেডিস, স্লিভলেস পরা মহিলা কবি দেখতে পাবেন। আসল কথা হচ্ছে নিজের ইজ্জতকে, নিজের সম্মানকে প্রথমে সম্মান করার দায়িত্ব নিজেরই। অন্য কেউ যখন বলবে মেয়েরা মায়ের জাত, মেনে নিলাম মেয়েরা মায়ের জাত কিন্তু এইসব নির্লজ্জ, অজাত কুজাত কখনো মায়ের জাত হতে পারে না। আর যারা এদের পক্ষ নিয়ে এসব আইটেম লেডিস কবিদের সাপোর্ট করে, আমি মনে করি ওরাও জন্মগত সমস্যায় ভুগছে। ওরা হচ্ছে বডি আর চেহারা দেখানো কবি। বাংলা সাহিত্যটাকে একদম শেষ করে দিচ্ছে ওরা আর ওদের পক্ষ নিয়ে যারা কথা বলে তারা।’

এমন পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে ভাবনা এক ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘আমার দোষ আমি হাতাকাটা ব্লাউজ পরে বইমেলায় গিয়েছি? সত্যি! আমাদের নানি-দাদিরা এখনো হাতাকাটা ব্লাউজ পরে থাকেন। এই ছবিটি সবাই পোস্ট করছে, আমাকে নিয়ে বাজে কথা লিখছে। অশ্লীল বলছে! যারা পোস্ট করে বাজে লিখছে তারা বেশিরভাগ পুরুষ। সব পুরুষকে খারাপ বলব কী করে, আমার বাবা তো আমাকে কখনো বলে দেয়নি কী পোশাক পরা উচিত? আমি কী পরব? আমরা নারীরা কি পরব তা ঠিক করবেন আপনি? আমার সত্যি কিছু বলার নেই।’

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘গত তিন-চার দিন ধরে আমি খুবই বিরক্ত এবং হতাশ। আমরা আসলেই কি নারীর সম্মান কখনই দিতে পারব না?’

ভাবনা বলেন, ‘একটি শ্রেণি সারাদিন ফেসবুকে পড়ে থাকে শুধু মেয়েদের ছবির নিচে বাজে মন্তব্য করার জন্য। এদের কাজ নেই। সারা দিন এরা ওঁৎ পেতে থাকে কখন মেয়েরা ছবি পোস্ট করবে আর সেখানে তারা বাজে মন্তব্য করবে। এরা নিম্ন মানসিকতার। এদের মন্তব্য আমি দেখি না। কিন্তু দিনশেষে আমিও তো মানুষ, আমারও তো পরিবার আছে, কত সহ্য করা যায় এসব। এসব নিম্ন মানসিকতার মানুষদের চিকিৎসা করা উচিত। এদের চিকিৎসা হলো শাস্তি।’

-আরটিভি

মন্তব্য করুন

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্র রিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোন মন্তব্য বা বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোন ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য বা বক্তব্য সংশোধনের ক্ষমতা রাখেন।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.