‘বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় প্রয়াস রয়েছে’

ওয়ান নিউজঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা দেশের সেরা সন্তানদের হত্যা করেছে, তাদের মধ্যে যারা শীর্ষস্থানীয়, তাদের বিচারকাজ শুধু সম্পন্নই হয় নাই, তাদের এক্সিকিউটও করা হয়েছে। বাইরে যারা আছে তাদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারের সক্রিয় প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগের পক্ষে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপড়তা বাড়ানো হয়েছে। আমাদের আশা তাদের শিগগির দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলেও, সময়ের ব্যবধান অনেক কমবে। এই খুনিদের ছাড় দেওয়া হবে না। এরা বাংলাদেশকেই মেরুদণ্ডহীন করে দিতে চেয়েছিল। যাতে এদেশ শুরু থেকেই একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, সে জন্য এই ঘৃণ্য কাজটি তারা সেদিন করেছিল।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে। এই সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে।

মঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানকে ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, সময়মতো এ বিষয়ে সুসংবাদ দেয়া যাবে বলে আশা করছি।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম বর্বর ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর, রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, উদীচী, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

Comments are closed.