শাহিন ডাকাতের সেকেন্ড ইন কমান্ড গর্জনিয়ার ত্রাস রহিম অধরা!

# কাজ করতো ডাকাত শাহিনের
# মানুষ হত্যার অভিযোগ
# ডজন খানেক মামলা
# যে গ্রামে যায় আতঙ্কে থাকে মানুষ
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, চোরাকারবারি, জমিজবর দখল সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরসহ ডজন খানেক মামলার আসামি গর্জনিয়ার শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড ইন কমান্ড থিমছড়ির জালাল আহমদের ছেলে রহিম উল্লাহ এখনো আইন শৃংখলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে। শাহিন ডাকাত জেলে থাকলেও এখন গ্রæপের কাজ চালাচ্ছে এই রহিম উল্লাহ এমনটা খবর পাওয়া গেছে । রাতের আধারে ভারী অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা , কারো জমি জবর দখল করতে হলে মানুষের সামনে অস্ত্রের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে চুপ করে রাখা এখন তার কাজ। রামুর গর্জনিয়াতে যতগুলো হত্যা হয়েছে এসবের মধ্যে রহিম উল্লাহর সক্রিয় ভুমিকা থাকতে পারে বলে মনে করছেন এলাকাবাসি। যা জিজ্ঞাবাদের মাধ্যমে বের হয়ে আসতে পারে।
সুত্রে জানা যায়, রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড়ের থিমছড়ি এলাকার বাসিন্দা জালাল আহমদের ছেলে রহিম উল্লাহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্ষতি হওয়ার পর গর্জনিয়ার আলোচিত ডাকাত শাহিনের দলে যোগ দেন। এরপর থেকে শুরু হয় তার উত্তাণ। ভারি অস্ত্র নিয়ে চলাফেরার কারণে তার বিরোদ্ধে কথা বলার সাহস পান না স্থানীয়রা। এদিকে ডাকাত শাহিন যৌথবাহিনীর কাছে আটক হওয়ার পর থেকে তার সেকেন্ড ইন কমান্ড রহিম গর্জনিয়ার জুমছড়ি এলাকার মইন্নাকাটা এলাকায় বসবাস করছে বলে জানা যায়। রাতের বেলায় বিভিন্ন দোকানে সিগারেট নিতে আসে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে । শুরুতে মইন্নাকাটা হয়ে শতশত গরু নিয়ে গেলেও এখন শাহিন কারাগারে থাকার কারণে অনেকটা ভাটা পড়ার কারণে কোন রকম গা ডাকা দিয়ে অপৈক্ষা করছে কখন শাহিন বের হবে এবং তাদের রাজত্ব আবার শুরু হব্।ে এখন শাহিন কারাগারে থাকলেও নিজে দায়িত্ব নিয়ে মাঝেমধ্যে মায়ানমার সিমান্ত থেকে মাদক আনছে বলে খবর রয়েছে। আর আ কাজে সহযোগিতা করছে বেশ কয়েকটি ইয়াবা মামলার আসামী স্থানী মৃত মৌ হাসেম এর ছেলে আব্দুল মোমেন প্রকাশ বদু।
গোপনসূত্রে জানা যায়, তার বিরোদ্ধে কক্সবাজার মডেল থানা ও রামু থানাসহ বেশ কয়েকটি থানায় হত্যা, বিস্ফোরক, ডাকাতি, জমি জবরদখলসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে। তারমধ্যে রামু থানায় ২০১৭ সালে ১মার্চ হত্যার চেষ্টাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা হয় যার নং এফআইআর২/৫৬ এই মামলায় বনবিভাগের একজন কর্মচারিকে বেদড়ক মারধর করে ডাকাত রহিম উল্লাহ। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে থাকার পর তিনি মারা যান বলে জানা যায়।
অন্যদিকে হত্যাসহ আরো বেশ কিছু ধারায় অভিযোগ এনে ২০১৩সালের ১৫ই ফ্রেরুয়ারী কক্সবাজার মডেল থানায় এফআইআর হয় যার নং-৩৪ জি আর মামলা নং ১২৯/১৩ এবং একই থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী ধারা -৬ এ আরেকটি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা যায় এফআইআর নং ৩৫ ও যার মামলা নং জি আর ১৩০/২০১৩ যা হয় ১৫ ফ্রেরুয়ারী । একই তারিখে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এফআইআর নং ৩৬ ও জি আর ১৩১/২০১৩
২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর তার বিরোদ্ধে জি আর মামলা হয় যার নং ৬৪৩ এই মামলায় চার্জশীট ভুক্ত আসামী বলে জানা যায়। এদিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -৪ এ বেশ কিছু ধারা দেখিয়ে সিআর মামলা রয়েছে তার বিরোদ্ধে। যার নং ৬৭১/ ২৩। এই মামলারও এজাহারভুক্ত আসামী বলে জানা যায়। অপরদিকে ২০২৩ সালে ৫ নভেম্বর রামু থানার এফআইআর -৮ ও জি আর মামলা নং ৬১৯ একই বছর ৩ ফ্রেরুয়ারী আরেকটি জি আর মামলা হয় যার এফআইআর নং ৩ ও মামলা নং ৪৬ বলে জানা যায় ।
একটি বিশেষ সূত্র বলছে,এই গর্জনিয়ার ত্রাস রহিম উল্লাহর এতগুলো মামলা থাকার পরেও ওয়ারেন্ডভ্ক্তু আসামি হওয়ার পরেও বীরদর্পে দোকানে ঘুরে বেড়ানো ও সাধারণ মানুষকে জানের ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রান চান এলাকাবাসি।
এলাকাবাসি জানান, এই রহিমের কারণে আমরা কথা বলতে পারি না । সে যা বলে তাই আইন হয়ে যায়। তাকে যদি একবার আইন শৃংখলাবাহিনী ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে তবে অনেক তথ্য বের হবে এবং অনেক অস্ত্র উদ্ধার হবে।
্এবিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তৈয়বুর রহমান অফিসে এসে বিস্তারিত বলার অনুরোধ করেন।

 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.