চট্টগ্রাম ব্যুরো:
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’কে সামনে রেখে কর্ণফুলী উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা প্রতিদিন সভা সমাবেশ ও বিপুল পরিমাণ লোক জমায়েত করে রাজনৈতিক মিটিং মিছিল করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
প্রতীক বরাদ্দের আগে এসব বিপুল জনগণের একত্রিকরণ নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা তা মানছেনা বলে অভিযোগ। অন্যদিকে এসব বড়সড় মিছিল মিটিং’কে তারা উঠানবৈঠক কিংবা মতবিনিময় সভা বলে প্রচার করছেন।
জানা যায়, নানা পোস্টারে পোস্টারে এলাকায় প্রতীক বরাদ্দের আগে নৌকার মিছিল মিটিং এবং জোরেসোরে নৌকার পক্ষে মাঠে নেমেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। ফলে বিএনপি শূণ্য মাঠে ও বিরাজ করছে আতংক।
গত কয়েকদিনে চরপাথরঘাটা ১নং ওয়ার্ড, চরলক্ষ্যার ৯নং চিপাতলি বাজার ও ৩নং ওয়ার্ড, বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর ৭নং ওয়ার্ডে একাধিক মিটিং মিছিল ও লেঅক সমাগম হয়। একই ভাবে বিএনপি সংগঠিত হতে চেষ্টা করলে পুলিশী হয়রানি বাড়ছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের।
অন্যদিকে ইসি কতৃক প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী পরিবেশ বজায় থাকছেনা বলেও অভিযোগ তাদের। কর্ণফুলীর বিভিন্ন ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে প্রচরামূলক এসব সভায় জমায়েত হচ্ছে শত শত মানুষ। আওয়ামী লীগ নিজেই উপজেলা নির্বাচন অফিসের আচরণবিধি মানছেনা বলে কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ তুলেছে।
বর্তমানে কর্ণফুলীতে বিএনপির কোনো প্রার্থীই এ মুহ‚র্তে মাঠে সক্রিয় নেই। নেতা-কর্মীরা রয়েছেন ধোঁয়াশার মধ্যে। মামলা-মোকদ্দমায় অনেকেই বিপর্যস্ত। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন একাধিক নেতাকর্মী। মাঠে ফাঁকা তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডও।
যদিও গত কয়েকদিন যাবৎ উপজেলায় ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযানে অপসারণ করা হয় সকল দলীয় পোস্টার ও প্রচারণামূলক ব্যানার ও তোরণ। বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টাঙ্গানো ব্যানার, পেষ্টুন পোস্টার সরিয়ে নেওয়া হয় ইসির নির্দেশে।
এ ব্যাপারে উপজেলায় দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম বলেন, ‘সড়ক কিংবা গুরুত্বপ‚র্ণ ভবনের মোড়ে মোড়ে লাগানো সব ব্যানার এ অভিযানের মাধ্যমে সরিয়ে ফেলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে। অভিযানের মাধ্যমে তা সরিয়ে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।’

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.