নারী ও শিশু পাচারকারী সিরাজুলের ক্ষপ্পরে পড়ে ৩সন্তান সহ গৃহবধু নিখোজ

ইয়ানূর রহমান : কুখ্যাত নারী ও শিশু পাচারকারী সিরাজুলের ক্ষপ্পরে পড়ে চৌগাছা মল্লিকবাড়ীর ৩ সন্তানসহ এক গৃহবধূ নিখোঁজ রয়েছে ১৩দিন। এ ব্যাপারে যশোরের চৌগাছা থানায় একটি মামলা হয়েছে।

মামলা ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, সৌদি প্রবাসী সিরাজুলের সাথে গৃহবধু রোজিনার বোনের মেয়ের কয়েক বছর আগে বিবাহ হয়। সেই সুত্রে সিরাজুলের রোজিনার সক্ষতা গড়ে ওঠে। এ সক্ষতার জের ধরে রোজিনা বড় কন্যা তারিন (১৩)র সাথে সৌদি প্রবাসী সিরাজুলের কয়েক মাস পূর্বে মোবাইলে বিয়ে দেয়। যা পারিবারিকভাবে সিকৃতি দেয়নি রোজিনার স্বামী সহ পরিবারের লোকজন।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রোজিনার স্বামী যশোরের চৌগাছার সিংহঝুলি গ্রামের তরিকুল ইসলাম ৩বছর পূর্বে মালয়শিয়া যায়। সে গত ৩বছরে ১০লক্ষাধিক টাকা পাঠায় তার স্ত্রী রোজিনার কাছে। যা রোজিনার নামে ব্যাংকে জমা ছিল। সৌদি প্রবাসী সিরাজুলের সাথে তারিনের বিবাহের পর ৭লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয় সিরাজুল। সে টাকা ফিরে পাবার জন্য মালয়শিয়া প্রবাসী তরিকুল ইসলাম রোজিনার উপর চাপ প্রয়োগ করে।

রোজিনার জামাই সৌদি প্রবাসী সিরাজুল দেশে ফিরে আসে। তার বাড়ি গাজিপুর জেলার দক্ষিন মালনা গ্রামে। সে ঐ গ্রামের মৃত হাসান আলীর পুত্র। এালাকায় সে কুখ্যাত নারী ও শিশু পাচারকারী হিসাবে চিহ্নিত হওয়ায় সিরাজুল ঢাকায় সববাস শুরু করে। সে নিজ এলাকা থেকে শতাধিক নারী ও শিশুকে ভাল কাজ দেবার নাম করে সৌদি নিয়ে যায়। যাদের খোঁজ পরিবারের লোকজন আর পায়নি। সে কারনে নারী ও শিশু পাচারকারী সিরাজুল এলাকায় আর ফিরতে পারে না। রোজিনা সিরাজুলের দেশে আসার খবরে ৩ সন্তান নিয়ে সিরাজুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় বলে পারবারিক সুত্রের দাবি।

এদিকে, রোজিনার স্বামী তরিকুল ইসলাম জানায়, রোজিনা বাড়ি থেকে চলে যাবার পরই ব্যাংক থেকে আরো ৩ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছে। স্ত্রী সহ তার ৩সন্তানের ভাগ্য নিয়ে সে খুবই ব্যথিত। সে তাদেরকে ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.