দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকের খেলতে মানা!

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ ইনজুরিতে জর্জর অবস্থা বাংলাদেশের। শুক্রবার শুরু দ্বিতীয় টেস্টের আগে অবশ্য টাইগারদের জন্য একাধিক দুঃসংবাদ পায়ে পায়ে হাঁটছে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমকে নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসকরা খেলতে বারণ করে দিয়েছেন। অন্তত চার সপ্তাহের আগে মাঠে নামতে মানা তার। আর ইমরুল কায়েসও দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে খেলতে পারবেন কি না তা অনিশ্চিত। সত্যি অবস্থাটা ভালো নয় সিরিজের শেষ ম্যাচের আগে।

ওয়েলিংটন টেস্টের শেষ দিনে সোমবার ব্যাট করার সময় বাউন্সারে মাথার পেছনে আঘাত পেলেন মুশফিক। মাঠে চিকিৎসায় কাজ হলো না। শেষে মাঠ থেকেই অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এক্স-রে করা হয়। কিন্তু তাতে কিছু ধরা পড়ে না। মুশফিকও একটু ধাতস্ত হয়ে মাঠে ফিরে ব্যাট করতে ছটফট করতে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকরা সাফ মানা করে দিলেন। দর্শক হয়ে থাকলেন তাই।

বাংলাদেশের ইংলিশ ফিজিও ডিন কনওয়ে নিউজিল্যান্ডে সাংবাদিকদের কাছে সেটাই বললেন। জানালেন, এরকম আঘাত কেউ পেলে নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসকরা তাকে অন্তত চার সপ্তাহ পুরো বিশ্রামে থাকতে বলেন। খেলা নিষেধ। ইংল্যান্ডেও এরকম ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন সপ্তাহ খেলতে মানা। সুতরাং, ২০ তারিখ ক্রাইস্টচার্চে শুরু টেস্টে মুশফিকের খেলার কোনো সম্ভাবনাই দেখেন না কনওয়ে। বাঁ হাতের আঙুলের চোট আরো বেড়েছে মুশফিকের। কনওয়ে মনে করেন, সবকিছু থেকে সুস্থ হয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি হায়দ্রাবাদে শুরু ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ঠিকই নামতে পারবেন অধিনায়ক।

এদিকে সমস্যা তো মোটে একটা না। প্রথম টেস্টেই মুশফিকের চোটে ইমরুল কায়েস উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের শুরুতে উরুতে ব্যথা পেলেন খুব। নেহাত দলের দরকার ছিল বলেই পরে আবার ব্যাট করতে নেমেছিলেন। ফিজিও কনওয়ে বলছেন, বর্তমানে যে অবস্থা তা থাকলে ইমরুলের ক্রাইস্টচার্চে খেলা অনিশ্চিত। শেষ পর্যন্ত ভালো অনুভব করলে ইমরুল খেলতে পারবেন। কিন্তু সিদ্ধান্তটা একান্তই তার। সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডে অসাধারণ এক টেস্টে অবিশ্বাস্য হারের পর বাংলাদেশের জন্য এখন কেবল দুসংবাদই আসছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.