ঝিকরগাছা পৌরসভা নির্বাচন : ১৩ জনের কে ফিরছেন নৌকার মাঝি হয়ে

ইয়ানূর রহমান : ঝিকরগাছা পৌরসভা নির্বাচনে কে পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ? কে হবেন নৌকার মাঝি ? এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে জোর আলোচনা। নৌকার প্রতীক পাওয়ার জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জোর লবিং চালাচ্ছেন। ১৩ নেতা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে দলীয় ফরম জমা দিয়েছে।

জানা যায়, গত বৃহষ্পতিবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ক্রয় ও জমাদানের সময় ছিল বেলা ১২ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ঢাকার ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে ১৩ মনোনয়ন প্রত্যাশী দলীয় ফরম কিনে জমা দিয়েছেন।

মনোনয়ন জমাদানকারীরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, সহসভাপতি ও বর্তমান পৌর মেয়র মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল, সাধারণ সম্পাদক মুছা মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান মুছা, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাসিমুল হাবিব শিপার, প্রচার সম্পাদক মোর্তুজা ইসলাম বাবু, বঙ্গবন্ধুর সাবাস চেয়ারম্যান খ্যাত মরহুম আবুল ইসলামের পুত্র মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স, আওয়ামী লীগ নেতা আমানুল কাদির টুলু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছেলিমুল হক সালাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বাপ্পি, ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমরান রশিদ, জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক শাহানা আক্তার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমামুল হাবিব জগলু।

পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ভোটার ২৬ হাজার। দীর্ঘ ২০ বছর তারা পৌরসভা নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারেনি। ২০০০ সালে সর্বশেষ ভোটে তারা ভোট দিয়েছিলেন। সেই নির্বাচনে মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তারপর সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় দীর্ঘ ২০ বছর ঝিকরগাছা পৌরসভার নির্বাচন বন্ধ ছিল। সেই জটিলতা কাটিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ঝিকরগাছা পৌরসভার নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা করেন। সেই ঘোষণা মোতাবেক ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন বাছাই, ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ১৬ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.