চবির ৫৬ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

ওয়ান নিউজঃ শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ফুটে ওঠে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে গবেষণা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও সভার আয়োজন করতে হবে। তবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আন্তর্জাতিক সায়েন্টিফিক কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়বে। বছরে দুটি বা তিন মাস পরপর সভা-সেমিনার হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) চবির ৫৬ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ড. হাসান মাহমুদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপাচার্য এম বদিউল আলম, মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মো. আলাউদ্দিন, বর্তমান সহ-উপাচার্য বেনু কুমার দে, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান, চাকসুর সাবেক ভিপি মাজহারুল হক শাহ চৌধুরী প্রমুখ। প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য শিরীণ আখতার।

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৫৬ বছর পার করেছে। বাংলাদেশের গৌরবময় সংগ্রামে চবির শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে আছে। চবি পরিবারের সদস্যরা দেশ এবং বিশ্বে বিভিন্ন পর্যায়ে নিজেদের মেধার প্রমাণ রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা বৃদ্ধিতে সবার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তিনি আরও বলেন, করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও আমরা আমাদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছিলাম অনলাইনে। যার ফলে সব বিভাগ এখন পরীক্ষা নিতে পারছে। সেশনজট যেন না লাগে সেজন্য দ্রুত সময়ে শিক্ষাবর্ষ শেষ করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, শুধু পাঠদান বা সনদ প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হবে, ডিগ্রি প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে সংস্কৃতি, মুক্তবুদ্ধি ও জ্ঞানের চর্চাও হবে। জ্ঞানভিত্তিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বহুমাত্রিক সমাজব্যবস্থা ব্যতিরেকে গণতন্ত্র সুসংহত হয় না, দেশ এগিয়ে যায় না। এ ছাড়া যেখানে বিজ্ঞানের চর্চা হয় না, ন্যায়-নীতির ব্যতয় ঘটে, মুক্তমতকে অবদমন করা হয়, সেখানে সমাজ এগোয় না।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.